প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইসরাইলে ভোট দেওয়ার জন্য প্রস্তুত প্রায় ৭৩ লাখ ভোটারের ভোটগ্রহণের মাত্র তিন দিন আগে, হিব্রু ভাষার দৈনিক ‘ইয়েদিওত আহরোনোত’-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে দেশটির প্রধান রাজনৈতিক শিবিরগুলোর মধ্যে সরকার গঠন করা সহজ হচ্ছে না। এর ফলে, নতুন নির্বাচনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
সংবাদপত্রটি জানিয়েছে, প্রধান টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর প্রকাশিত জনমত জরিপ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নিজস্ব সমীক্ষায় রাজনৈতিক অচলাবস্থার লক্ষণ স্পষ্ট হয়েছে। তবে ভোটারদের উপস্থিতি, নির্বাচনি বৈতরণী পার হতে না পারা দলগুলোর ভোট নষ্ট হওয়া এবং দলের নেতাদের শেষ মুহূর্তের অবস্থানের পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে নির্বাচনী ফলাফলগুলোতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা
দীর্ঘমেয়াদী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দুর্নীতির অভিযোগে বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও তিনি আরেকটি মেয়াদের জন্য নির্বাচনে লড়াই করছেন। নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন লিকুদ দল এবং কট্টর ডানপন্থী জোটের বিরুদ্ধে বিরোধী ব্লক— যার মধ্যে গাডি আইসেনকোটের ইয়াশার দল এবং ইয়ার লাপিদের ইয়েশ আতিদ রয়েছে— একটি তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লিপ্ত রয়েছে।
ইসরাইলের ১২০ আসনের পার্লামেন্ট নেসেটে যদি কোনো পক্ষ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে না পারে, তবে এই নির্বাচন আবারও রাজনৈতিক অচলাবস্থার সৃষ্টি করতে পারে।
ইরান হামলা সংক্রান্ত দৃশ্যপট
অন্যদিকে, ‘মারিভ’ পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নির্বাচনে জয়ী হলেও ইরানের ওপর হামলা চালানোর জন্য তার বড় কোনো রাজনৈতিক সুবিধা থাকবে না।
রাজনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদপত্রটি জানিয়েছে, যদি ইয়াশার দলের নেতা গাডি আইসেনকোট বিজয়ী হন, তবে নতুন সরকার শপথ নেওয়ার আগে নেতানিয়াহু কোনো হামলার নির্দেশ দিতে পারবেন না। এছাড়া, এ ধরনের পদক্ষেপের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি ও রাজনৈতিক সমর্থন নেতানিয়াহুর নেই বলে সামরিক নেতৃত্ব তাকে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন