প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পুলিশ গ্রেফতার করেছে আওয়ামী লীগের চৌগাছা উপজেলার ধুলিয়ানী ইউনিয়নের সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম, যিনি শফি মেম্বার নামেও পরিচিত।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে চৌগাছার কাবিলপুর বাজার থেকে তাকে আটক করা হয়। আজ (বুধবার) আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শফিকুল ইসলাম কাবিলপুর গ্রামের সোনাই মণ্ডলের পুত্র। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে মাদক সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে, যার মধ্যে মোট ১৮টি মামলা অন্তর্ভুক্ত।
মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে শফিকুলের বিরুদ্ধে। ২০১৭ সালের ২৪ মে যশোর প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তৎকালীন পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান জেলার ১৪ জন শীর্ষ মাদক কারবারিকে ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করেন। ওই তালিকার চার নম্বরে শফিকুল ইসলামের নাম ছিল। তাকে ধরিয়ে দিলে ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেয় পুলিশ।
পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার হলে শফিকুল বিদেশে চলে যান বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। পরে দেশে ফিরে তিনি আওয়ামী রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। ২০১৭ সালের ২৮ মে চৌগাছার ধুলিয়ানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে তাকে সভাপতি ঘোষণা করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরও চৌগাছায় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সাংগঠনিক কার্যক্রম বজায় রাখতে শফিকুলের সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে। ভারত সীমান্তবর্তী এলাকায় তার বাড়ি হওয়ায়, তিনি ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে স্থানীয় নেতাকর্মীদের যোগাযোগ রক্ষায় সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিশেষ করে, আগামী ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে ভারতে অবস্থানরত নেতাদের বিভিন্ন বার্তা স্থানীয় নেতাকর্মীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। তবে, এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য প্রদান করেনি।
চৌগাছা থানার ওসি কাজী বাবুল হোসেন শফিকুলের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তার বিরুদ্ধে ডজনের বেশি মাদক মামলা রয়েছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন