প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যদি দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েল সেনা না সরলে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমস্ত ধরনের আলোচনা বন্ধ করা হবে। এই তথ্যটি দেশটির আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা চুক্তির ১ নম্বর অনুচ্ছেদ যদি পূরণ না করা হয়, তাহলে আলোচনা কার্যকর হবে না। ওই অনুচ্ছেদ অনুসারে, লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করার পাশাপাশি লেবাননের আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করার ব্যাপারে আলোচনা করা হয়েছে। তাসনিম জানায়, "চুক্তির ১ অনুচ্ছেদ বাস্তবায়িত না হলে আলোচনা একেবারেই নিরর্থক।"
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান গত বৃহস্পতিবার এক সমঝোতা চুক্তি সই করার পরের ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তি করার জন্য রবিবার সুইজারল্যান্ডে প্রথম দফার আলোচনা শুরু করেছে দুই দেশের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা।
এই আলোচনার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান এবং কাতারও যুক্ত হয়েছে। বৈঠক শুরু হওয়ার আগে ইরান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেবানন নিয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই ইরনা বার্তা সংস্থার একটি ভিডিওতে প্রকাশ বলেছেন, ইহুদি রাষ্ট্র (ইসরায়েল) লেবাননে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে। রবিবারের বৈঠকে এটি হবে প্রধান আলোচ্য বিষয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মাঝে সমঝোতা চুক্তি হওয়ার পরও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা অব্যাহত রয়েছে, যার ফলে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।
শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র জানায়, ইসরায়েল এবং লেবাননের হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে। কিন্তু তারপরেও লেবাননে ইসরায়েলের হামলা বন্ধ হয়নি।
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা উল্টো দাবি করেছেন, লেবাননের হুমকি মোকাবেলায় তারা স্বাধীনভাবে কর্মকাণ্ড চালাতে পারে। তবে ইরান লেবাননে যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে অটল রয়েছে।
ইরান পূর্বে বলেছে, লেবাননে যুদ্ধ বন্ধ না হলে এবং জব্দ করা সম্পদ ফিরিয়ে না পাওয়া পর্যন্ত তারা পরবর্তী দফার শান্তি আলোচনা ও পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করবে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন