প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি হলে তাদের সন্তানদের জন্য আলাদা ভর্তির সুযোগ থাকবে। সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রতি শ্রেণির শাখায় মোট আসনের ৫ শতাংশ অতিরিক্ত আসন রাখা হবে। এই বিধান সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
নীতিমালার ১৮ ধারায় বদলির কারণে ভর্তির সুযোগ ও শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে। সুবিধাটি পেতে হলে, বদলির আদেশের তারিখ থেকে ১২ মাসের মধ্যে আবেদন করতে হবে। আবেদনটি ভর্তি কমিটির সভাপতির কাছে করতে হবে এবং সঙ্গে প্রয়োজনীয় প্রমাণ প্রদান করতে হবে।
মহানগর, সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় শহরের জন্য একটি আলাদা শর্ত প্রযোজ্য। যদি নতুন কর্মস্থল আগের জায়গা থেকে ১০ কিলোমিটারের বেশি দূরে হয়, তাহলে সন্তান ভর্তির সুযোগ পাবে। দূরত্ব গুগল ম্যাপ অনুযায়ী মাপা হবে। ভর্তি হবে কর্মস্থলের নিকটবর্তী সরকারি বা বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। জেলা, উপজেলা ও থানার ক্ষেত্রেও সন্তান কর্মস্থলের নিকটবর্তী বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবে।
সরকারি বিদ্যালয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা এই ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে। যদি কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী আগের কর্মস্থলে আবার বদলি হন, তাহলে তার সন্তান আগের স্কুলে পুনরায় ভর্তি হতে পারবেন। বিভিন্ন কোটায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মূল কাগজপত্র যাচাই করবেন প্রতিষ্ঠান প্রধান। এরপর ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে।
একই শ্রেণিতে পারস্পরিক বদলির সুযোগও বিদ্যমান। এজন্য দুই বিদ্যালয়ের সম্মতি প্রয়োজন। শিক্ষার্থী বা অভিভাবককে ভর্তি কমিটির সভাপতির কাছে আবেদন করতে হবে। কমিটি নীতিমালা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্যও অতিরিক্ত আসন সংরক্ষিত থাকবে। ভর্তির উপযুক্ত সন্তানের সংখ্যার সমান আসন রাখা হবে। শিক্ষক যদি বালক বিদ্যালয়ে কাজ করেন এবং সন্তান মেয়ে হয়, তাহলে কাছের সরকারি বালিকা বা সহশিক্ষা বিদ্যালয়ে আসন রাখতে হবে। একইভাবে, শিক্ষক যদি বালিকা বিদ্যালয়ে কাজ করেন এবং সন্তান ছেলে হয়, তাহলে কাছের সরকারি বালক বা সহশিক্ষা বিদ্যালয়ে আসন রাখতে হবে। শিক্ষক সহশিক্ষা বিদ্যালয়ে থাকলে সন্তানের আসন সেই বিদ্যালয়েই রাখা হবে। যদি সেই স্কুলে কাঙ্ক্ষিত শ্রেণি না থাকে, তাহলে কাছের অন্য উপযুক্ত বিদ্যালয়ে আসন রাখতে হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধান ব্যবস্থা নিয়ে ভর্তি কমিটিকে জানাবেন।
কর্মরত অবস্থায় যদি কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী মারা যান, তাহলে তার সন্তান ভর্তির সুযোগ পাবেন। সন্তান যে এলাকায় স্থায়ীভাবে থাকবে, সেখানকার সরকারি স্কুলে ভর্তি হতে পারবেন। ভর্তি কমিটি এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
সরকারি স্কুলের যে শিক্ষার্থীর বাবা-মা নেই, তার জন্যও সুযোগ রাখা হয়েছে। সে যদি বাসস্থান বদলায়, তাহলে নতুন এলাকার সরকারি স্কুলে একই শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে। বাবা-মায়ের মৃত্যুর কারণে বাসস্থান বদলালেও একই সুযোগ পাওয়া যাবে। ভর্তি কমিটি এসব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন