প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর ওপর বালাসী-বাহাদুরাবাদ ঘাটে সেতু নির্মাণের দাবিতে ব্যতিক্রমী পদযাত্রায় নেমেছেন গাইবান্ধার এক বাবা-ছেলে। ‘আলোকিত বাংলার স্বপ্নযাত্রা, আমরা করব জয়’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে ১৯ দিনে প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে একের পর এক জেলা পাড়ি দিয়ে ঢাকায় পৌঁছেছেন তারা।
পদযাত্রায় অংশ নেওয়া দুজন হলেন গাইবান্ধা সদর উপজেলার সাদেক চত্বর এলাকার বাসিন্দা ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত প্যারা কমান্ডো অনারারি ক্যাপ্টেন সাদেক আলী সরদার এবং তার ছেলে উদ্যোক্তা মোস্তাফিজুর রহমান।
গত ১৬ আগস্ট গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার বালাসী ঘাট থেকে তাদের এই ৭৫তম মিশন শুরু হয়। পদযাত্রাকালে তারা জয়পুরহাট, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, পাবনা, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, যশোর, বেনাপোল স্থলবন্দর, সাতক্ষীরা স্থলবন্দর, খুলনা, নড়াইল, গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুরসহ রাজশাহী, খুলনা ও ঢাকা বিভাগের ২০টি জেলা অতিক্রম করে ঢাকায় পৌঁছান।
দীর্ঘ পথ অতিক্রম শেষে শুক্রবার (১১ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে অংশ নেন তারা। এতে রাজধানীতে বসবাসরত উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ একাত্মতা প্রকাশ করেন। মানববন্ধন শেষে তারা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও সেতু ভবনে স্মারকলিপি প্রদানের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন।
বাবা-ছেলের বলেন বালাসী-বাহাদুরাবাদ ঘাটে সেতু নির্মাণ কেবল গাইবান্ধাবাসীর নয়, পুরো উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। এ সেতু নির্মিত হলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন দিগন্তের সূচনা ঘটবে।
উদ্যোক্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, উত্তরবঙ্গের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা নিরসন ও সেতুর যৌক্তিক দাবিটি সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছে দিতেই তাদের এই দীর্ঘ পদযাত্রা। বিভিন্ন জেলায় অবস্থানকালে স্থানীয় বাসিন্দারা বাবা-ছেলের এই মহতী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন