শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:২৩ পি.এম
দেশের তরুণ এবং শিক্ষার্থীরা সবাই মিলে দেশ পুনর্গঠন করলে কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি একটা সাহায্য চাই, হেল্প চাই। আমি যতটুকু জানি বাংলাদেশে স্কাউটসের সংখ্যা প্রায় ২৩ লাখ, বিএনসিসি সদস্যের সংখ্যা ২২ হাজার। এছাড়া প্রাথমিক স্কুল-মাদরাসা ছাড়াও সারা দেশে হাইস্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি। আর প্রাথমিক স্কুল-মাদরাসাসহ আড়াই কোটি।
তিনি বলেন, এবার আপনারা আমাকে বলেন, এতগুলো মানুষ— আমরা যদি দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই, কেউ কি ঠেকিয়ে রাখতে পারবে? কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। এখন আপনাদেরকে দায়িত্ব নিতে হবে দেশটা কীভাবে আমরা গড়ে তুলবো। এই দেশটা আমাদেরকে গড়ে তুলতে হবে কারণ এই দেশে আমরা সকলে থাকবো।
সবাই একত্র হয়ে দেশকে পরিষ্কার করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সরকারপ্রধান বলেন, আজকে এই যে আমরা এখানে একত্র হয়েছি, এই যে হাজার হাজার মানুষ এই মাঠে, সারা দেশের সবগুলো জেলাতে মিলিয়ে লাখ লাখ মানুষ যারা আমরা একত্র হয়েছি, আমরা একটি লক্ষ্য নিয়ে একত্র হয়েছি যে, আমরা আমাদের দেশকে পরিষ্কার করবো, আবর্জনা মুক্ত করার চেষ্টা করবো।
বক্তব্যে তরুণদের রাষ্ট্র পুনর্গঠনের কাজে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই যে সংখ্যাটা আমি বললাম, একটা দেশের এত বড় তরুণ সমাজ যদি দেশকে পরিবর্তন করতে চায়, তাহলে করা সম্ভব। তরুণ সমাজ যে পরিবর্তন করতে পারে, সেটা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে।
তিনি বলেন, পরিবর্তনের সূচনা সেখান থেকেই তরুণ সমাজ করেছে। কাজেই আসেন, আজকে আমরা এখানে একত্র হয়েছি, আগামী তিন মাস আমরা এই যে ডেঙ্গুর যে সমস্যাটা, এই সমস্যাটার আমরা সমাধান করার চেষ্টা করবো। হয়তো আমরা ১০০ ভাগ পারবো না, কিন্তু অন্তত ৮০ ভাগ আমরা পারবো।
তারেক রহমান বলেন, আমি এই যে যেই কথাটা বলেছি— ২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের তরুণ সমাজ দেখিয়ে দিয়েছে দেশকে কী করে পরিবর্তন করতে হয়। পরিবর্তন হয়েছে। তরুণ সমাজের কাছে আমার আহ্বান— আসুন এবার রাষ্ট্রকে, দেশকে আমরা পুনর্গঠন করি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অনূর্ধ্ব- ২০ নারীদের জুনিয়র এশিয়া কাপ হকি টুর্নামেন্টে নিজেদের শেষ ম্যাচে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ দল। এই দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে মালয়েশিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে পঞ্চম স্থান নিশ্চিত করেছে লাল-সবুজের মেয়েরা।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) চীনের হুলুনবুয়ির সিটিতে অনুষ্ঠিত পঞ্চম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে শুরু থেকেই দুর্দান্ত হকি খেলে বাংলাদেশ দল। ম্যাচের প্রথমার্ধে কোনও দলই গোল করতে পারেনি।
অবশেষে তৃতীয় কোয়ার্টারে পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে দারুণ এক গোলে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেন অধিনায়ক শারিকা সাফা রিমণ। এরপর চতুর্থ কোয়ার্টারে চমৎকার এক ফিল্ড গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন কনা। শেষ দিকে এক গোল শোধ দেয় মালয়েশিয়া।
মালয়েশিয়ার শক্তিশালী রক্ষণভাগ ভেঙে নারীদের এই জয় অন্যতম বড় সাফল্য। পুরো টুর্নামেন্টে লড়াকু পারফরম্যান্স দেখিয়ে এই জয়ে পঞ্চম স্থানে থেকে টুর্নামেন্ট শেষ করলো বাংলাদেশ দল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ শনিবার থেকে আগামী ৮-১০ দিন দেশের বৃষ্টিপাতের প্রবণতা এবং পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসতে পারে। বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটিএ) জানিয়েছে, দিনে রোদের উপস্থিতি এবং গরমের তীব্রতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
এই সময় দেশের বিভিন্ন জেলায় মৃদু তাপপ্রবাহ সক্রিয় হতে পারে এবং সারাদেশে কমবেশি ভ্যাপসা গরমের তীব্রতা বজায় থাকার আশঙ্কা রয়েছে, যা অনেকের কাছে অসহনীয় মনে হতে পারে। সংস্থাটি জানিয়েছে, দিনভেদে সারাদেশে গড়ে ৫ থেকে ৮ ঘণ্টা এবং কিছু জেলায় সারাদিনই রোদ থাকতে পারে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) এসব তথ্য প্রকাশ করে।
বিডব্লিউওটি জানায়, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোতে গরমের তীব্রতা তুলনামূলকভাবে বেশি থাকতে পারে। বিশেষ করে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, পাবনা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, চুয়াপাড়া, যশোর, মাগুরা, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, ঢাকা, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, ভোলা, বরিশাল, পটুয়াখালী, ময়মনসিংহ, দিনাজপুর, নীলফামারী এবং এর আশেপাশের এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকতে পারে। এ ছাড়া, দু-একটি জেলায় তাপমাত্রা সাময়িকভাবে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত ওঠার পূর্বাভাস রয়েছে।
সংস্থাটি জানায়, এই সময়ে সার্বিকভাবে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অনেক কমে আসবে, তবে তা একদমই বন্ধ হবে না। মাঝেমধ্যে হঠাৎ করে কিছু জায়গায় বজ্রবৃষ্টির ঝুঁকি থাকতে পারে। খুলনা, বরিশাল, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের তুলনায় রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা তুলনামূলকভাবে বেশি হতে পারে। ১৩ থেকে ২২ তারিখের মধ্যে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বেশ কিছু জেলায় দিনে গড়ে ৫ থেকে ৮ ঘণ্টা রোদ থাকার পাশাপাশি এই সময়ে গড়ে ২ থেকে ৪ দিন দুপুর, বিকেল বা রাতের মধ্যে বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তবে এই চার বিভাগের অনেক জেলায় ৪ থেকে ৬ দিন বৃষ্টিবিহীন কাটবে। অন্যদিকে, খুলনা, ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোতে বৃষ্টির প্রবণতা আরও কম এবং রোদের তীব্রতা বেশি থাকবে। এসব বিভাগের বেশিরভাগ জেলায় আগামী ৯ থেকে ১০ দিনের মধ্যে বিরতি দিয়ে দিয়ে গড়ে ৫ থেকে ৭ দিন পুরোপুরি বৃষ্টিবিহীন থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। অল্প সময়ের জন্য হঠাৎ বজ্রবৃষ্টি হলেও এর আগে-পরে দিনের বেশিরভাগ সময় রোদ এবং ভ্যাপসা গরম বিদ্যমান থাকবে।
সাধারণ জনগণের জন্য বিডব্লিউওটি পরামর্শ দিয়ে জানায়, চলতি মৌসুমে যারা রোদের ওপর নির্ভর করে প্রয়োজনীয় কাজ সারতে চান, তাদের জন্য এটি সবচেয়ে উপযুক্ত ও আদর্শ সময় হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে যেসব কৃষকের ধান কাটার উপযুক্ত হয়ে গেছে, তারা আবহাওয়ার স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সময়ের মধ্যে ধান কাটার কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে পারেন। মাসের শেষদিকে আবারও বৃষ্টির প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ার সম্ভাবনা থাকায় এখনকার তুলনামূলক শুষ্ক সময়টি কাজে লাগানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পর্যটকদের জন্য সুসংবাদ এবং পর্যটন কেন্দ্রগুলোর অবস্থা বিষয়ে সংস্থাটি জানায়, দেশের বেশিরভাগ জেলায় আবহাওয়া তুলনামূলক ভালো ও রৌদ্রোজ্জ্বল থাকার কারণে এটি ভ্রমণের জন্য বেশ উপযোগী হতে পারে। বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাগুলো, কুয়াকাটা, কক্সবাজার, সুন্দরবন ও হাওরাঞ্চলসহ বেশ কিছু আকর্ষণীয় স্থানে ঘুরে বেড়ানোর জন্য এটি চমৎকার সময় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
সাগরের পরিস্থিতি ও নতুন লঘুচাপের শঙ্কার বিষয়ে সতর্কতা জানিয়ে ওয়েদার অবজারভেশন টিম আরও জানায়, সাগরে বর্তমানে একটি লঘুচাপ রয়েছে, তবে আজ রাত থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসতে পারে। তবে আগামী ১৯ থেকে ২৩ তারিখের মধ্যে সাগরে আবারও নতুন করে লঘুচাপ বা নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার ফলে সাগর নতুন করে উত্তাল হতে পারে। সেই কারণে সাগরে যাওয়ার আগে আবহাওয়ার পরিস্থিতি জেনে যাওয়ার বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পদ্মা সেতু চালুর পর বাগেরহাট থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচল ও যাত্রীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যহারে বেড়েছে। বাড়ছে যানবাহনের চাপও। এরসঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জেলার একমাত্র কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালকে আরও আধুনিক ও যাত্রীবান্ধব করে গড়ে তুলতে সম্প্রসারণ ও জমি অধিগ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে বাগেরহাট পৌরসভা।
বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার যাত্রী টার্মিনালটি ব্যবহার করেন।
আটটি রুটে চলাচল করে তিন শতাধিক বাস ও মিনিবাস। ফলে পুরোনো এই টার্মিনালে ক্রমবর্ধমান যাত্রী ও যানবাহনের চাপ সামাল দিতে বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন জরুরি হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, টার্মিনালের বিভিন্ন অংশে গর্ত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতে এসব স্থানে পানি জমে কাদা সৃষ্টি হয়। জায়গা সংকটের কারণে কিছু দূরপাল্লার বাস টার্মিনালের বাইরে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করাচ্ছে। এতে যাত্রীদের ভোগান্তির পাশাপাশি ব্যস্ত সড়কে যানজট ও নিরাপত্তার বিষয়টিও সামনে এসেছে।
চট্টগ্রাম থেকে আসা যাত্রী রায়হান শেখ বাসস’কে বলেন, বাসে উঠতে বা নামতে গিয়ে অনেক সময় সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। বড় বাস পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আতঙ্ক লাগে। টার্মিনালের ভেতরে পর্যাপ্ত জায়গা থাকলে এ ধরনের ভোগান্তি অনেকটাই কমে যেত।
আরেক যাত্রী শাওন বলেন, বৃষ্টির সময় টার্মিনালের বিভিন্নস্থানে পানি ও কাদা জমে যায়। নারী, শিশু ও বয়স্কদের চলাচলে এতে বেশি অসুবিধা হয়। দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পাশাপাশি দ্রুত কিছু ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।
ঢাকা থেকে আসা যাত্রী শাফিন আহমেদ বলেন, পদ্মা সেতু চালুর পর বাস ও যাত্রী দুটোই বেড়েছে। এ অবস্থায় টার্মিনালের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো গেলে যাত্রীদের জন্য আরও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হবে।
যশোর থেকে আসা নাফিজা বলেন, টার্মিনালের ভেতরে পর্যাপ্ত বসা ও অপেক্ষার জায়গা নেই। বৃষ্টির সময় কাদা-পানি মাড়িয়ে বাসে উঠতে হয়। টার্মিনালটি সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা হলে যাত্রীদের জন্য বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের চলাচল আরও সহজ হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০০৪ সালে পৌরসভা এলাকার মহাসড়কের পাশে দুই একর জমির ওপর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের মাধ্যমে বাগেরহাট বাস টার্মিনালটি নির্মাণ করা হয়। দুই দশকের বেশি সময় পার হওয়ায় এবং বাস ও যাত্রীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় বর্তমান অবকাঠামোর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।
বাগেরহাট জেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাসস’কে বলেন, টার্মিনালের বর্তমান অবস্থা উন্নত করা প্রয়োজন। বিভিন্ন স্থানে বড় গর্ত ও কাদার কারণে যাত্রীদের ওঠানামায় ভোগান্তি হচ্ছে। গর্তে পড়ে বাসের বিভিন্ন যান্ত্রিক ত্রুটিও দেখা দিচ্ছে।
তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার অবহিত করা হয়েছে। টার্মিনাল সম্প্রসারণ ও সংস্কারের উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়িত হলে যাত্রী, চালক ও পরিবহন শ্রমিকদের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।
বাগেরহাট পৌরসভার প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন বাসস’কে বলেন, বাগেরহাট পৌর বাসস্ট্যান্ডটি পুরোনো হওয়ায় এটিকে আধুনিকায়নের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে। জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হলে বাসস্ট্যান্ডটি আধুনিক ও উন্নত বাসস্ট্যান্ডে রূপান্তর করা হবে।
তিনি বলেন, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে বাসস্ট্যান্ডের বিভিন্নস্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে সেখানে ইট-বালু দেয়া হয়েছে। এরপরও কোনো সমস্যা থাকলে তা চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
যাত্রীরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপদে বাসস্ট্যান্ডটি ব্যবহার করতে পারেন, সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বাসস্ট্যান্ডের লাইটের সমস্যাটিও দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হবে।
পৌরসভার প্রকৌশলী এস এম হাবিবুল্লাহ বাসস’কে জানান, বাস টার্মিনালটি সম্প্রসারণের জন্য আরও প্রায় তিন একর জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে। জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হলে টার্মিনালের পরিসর বাড়ানোর পাশাপাশি যাত্রীদের সুযোগ-সুবিধাও বৃদ্ধি করা হবে।
যাত্রীরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন পরিকল্পনার পাশাপাশি টার্মিনালের বর্তমান খানাখন্দ, পানি নিষ্কাশন, আলোকসজ্জা এবং যানবাহন পার্কিংয়ের সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা হলে সেবার মান আরও উন্নত হবে। একই সঙ্গে পদ্মা সেতুর কারণে বাগেরহাটে বাড়তে থাকা গণপরিবহন ও যাত্রীসেবার চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও যাত্রীবান্ধব বাস টার্মিনাল গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি সমৃদ্ধ ও কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দেশপ্রেমিক নাগরিক, ব্যবসায়ী, তরুণ উদ্যোক্তা, গবেষকসহ সমাজের সর্বস্তরের জনসাধারণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানী ঢাকায় ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা কামনা করে তারেক রহমান বলেন, দেশ পরিচালনায় সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। তাই আসুন আমরা সবাই মিলে এ রকম একটি রাষ্ট্র গড়ে তুলতে কাজ করি, যাতে আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত সেই রাষ্ট্র গড়ে তুলতে সক্ষম হই।
অনুষ্ঠানে বক্তাদের দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, পূর্ববর্তী বক্তারা এবং বিশেষ করে ডক্টর আনিসুজ্জামান ইনোভেশন নিয়ে তার উপস্থাপন ও বক্তব্যে যে বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন, সেগুলোর মধ্য দিয়েই আমাদের আগামী দিনের কর্মপন্থা মোটামুটিভাবে নির্ধারিত হয়ে গেছে। আমরা যদি এসব কর্মপন্থা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করতে পারি, তবেই আমরা আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হব।
দেশের সার্বিক অগ্রগতিতে উদ্ভাবক ও ব্যবসায়ীদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র ও সরকারের বর্তমান প্রয়োজনে উদ্ভাবনী শক্তি নিয়ে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সরকার উদ্যোক্তা ও গবেষকদের সর্বাত্মক সহায়তায় সব সময় পাশে থাকবে।
পরে তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, দেশি-বিদেশি উদ্ভাবক ও বিভিন্ন পর্যায়ের গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ