প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লুসার্নের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ভুয়া কোভিড টিকা সনদ প্রদান সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্তের সূত্র ধরে সুইজারল্যান্ডের অধিনায়ক গ্রানিত জাকার বিরুদ্ধেও তদন্ত কার্যক্রম চলছে।
জাল কোভিড-১৯ টিকা সনদ ব্যবহারের অভিযোগে সুইজারল্যান্ডের অধিনায়ক গ্রানিত জাকা বর্তমানে তদন্তের মুখোমুখি। দেশটির লুসার্নের সরকারি কৌঁসুলির দপ্তর এই বিষয়ে তদন্ত করছে, যা ‘ব্লিক’ এবং ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’ প্রকাশ করেছে।
২০২৩ সালে একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে পুলিশের অভিযানের পর জাকার বিরুদ্ধে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ভুয়া টিকা সনদ ইস্যু করার অভিযোগে তদন্ত চলছিল, এবং সেই তদন্তের সূত্র ধরেই জাকার টিকা সনদ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
জানানো হয়েছে, অক্টোবরের শুরুতে জাকাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। এই তদন্তের উদ্দেশ্য হল তার কথিত ভুয়া সনদ সংগ্রহ এবং নথি জালিয়াতির সঙ্গে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সম্পর্ক আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা।
তবে জাকার পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাঁর মুখপাত্রের দাবি, জাকা ২০২২ সালে দুইবার কোভিডের টিকা নিয়েছিলেন এবং দুবারের টিকার চিকিৎসাগত প্রমাণ রয়েছে। প্রথম টিকা ২৫ জানুয়ারি এবং দ্বিতীয়টি ১১ নভেম্বর ২০২২ দেওয়া হয়েছিল বলে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তদন্তে কর্তৃপক্ষকে পূর্ণ সহযোগিতার কথাও জানিয়েছেন জাকার পক্ষ।
কোভিড মহামারির সময় জাকা টিকা নিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন। ২০২১ সালে তিনি টিকা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন এবং পরে কোভিডে আক্রান্ত হন। এর ফলে সে সময় আর্সেনাল ও সুইজারল্যান্ডের হয়ে কয়েকটি ম্যাচে অনুপস্থিত থাকতে হয়েছিল তাঁকে।
বর্তমানে ইংলিশ ক্লাব সান্ডারল্যান্ডে খেলছেন ৩৩ বছর বয়সী জাকা। ২০২৬ বিশ্বকাপেও সুইজারল্যান্ডের অধিনায়ক ছিলেন তিনি। ফিফার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বকাপে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে জয়ের ম্যাচে পেনাল্টি থেকে গোলও করেছিলেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন