প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে হকার বসলে তাদের উচ্ছেদ করা হবে। এছাড়া, তাদের মালামাল ক্রোক করা হবে এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, সিটি করপোরেশন কর্তৃক নির্ধারিত ও অনুমোদিত স্থান ছাড়া রাজধানী ঢাকার কোথাও কোনো হকার বসতে দেওয়া হবে না।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর ধলপুরে সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সড়ক থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও জনভোগান্তি সংক্রান্ত বিষয়াদি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, হকারদের জন্য কিছু নির্দিষ্ট ফুটপাত ও স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এর বাইরে জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাটের মূল সড়কসহ কোনো ফুটপাতে অবৈধভাবে হকার বসলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও জানান, শহরের সকল হকারকে শৃঙ্খলার মধ্যে আসতে হবে এবং সিটি করপোরেশনে নিবন্ধিত হতে হবে। নিবন্ধন ছাড়া ঢাকা শহরের কোথাও কোনো হকার বসতে পারবে না। উচ্ছেদের পর পুনরায় ফুটপাত দখলের বিষয়ে তিনি বলেন, এখন থেকে উচ্ছেদের সঙ্গে সঙ্গে মালামাল জব্দ ও সরাসরি মামলা দায়ের করা হবে।
মহেশ
হকারদের নোটিশ প্রদান ও পুনর্বাসন প্রশ্নে প্রশাসক বলেন, সরকার দফায় দফায় হকারদের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাই নতুন করে নোটিশ দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। পুনর্বাসনের প্রশ্নে প্রশাসক বলেন, ঢাকার যেসব নাগরিক সিটি করপোরেশনকে ট্যাক্স প্রদান করেন, তারা কি চান সেই বিষয়টি সামনে রেখে আপনাদের প্রশ্ন করার অনুরোধ জানাচ্ছি।
পরিদর্শনকালে ডিএসসিসির আঞ্চলিক কার্যালয়-৫-এর প্রবেশপথে ঢাকা ওয়াসার দীর্ঘসূত্রী কাজের কারণে সৃষ্টি হওয়া জনভোগান্তি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রশাসক। তিনি বলেন, ওয়াসা কর্তৃপক্ষের কাজের কারণে প্রতিদিন সেবা নিতে আসা হাজার হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। ওয়াসাসহ অন্যান্য সেবামূলক সংস্থাকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমন্বিতভাবে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির কাজ শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পরিশেষে স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেবামূলক সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে প্রতি ১৫ দিন পর পর নিয়মিত বৈঠক হচ্ছে। দীর্ঘদিনের এসব জটিলতা নিরসনে ওয়াসা, সিটি করপোরেশন, টিঅ্যান্ডটি ও বিদ্যুৎ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন