প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বুলগেরিয়ার কৃষ্ণ সাগর উপকূলে ড্রোন হামলার ফলে দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনার পর রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত এলেনোরা মিত্রোফানোভাকে তলব করেছেন প্রধানমন্ত্রী রুমেন রাদেভ। স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ক্রাপেটস গ্রামের প্রায় ৩১ কিলোমিটার পূর্বে একটি জাহাজ ডুবে গেছে।
এই ঘটনায় ১১ জন নাবিক নিখোঁজ রয়েছে, তবে একজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে, ইউক্রেনের মালিকানাধীন আরেকটি জাহাজ বিয়ালা শহর থেকে প্রায় ৩৩ কিলোমিটার দূরে ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই জাহাজটির ১৫ জন নাবিককেই উদ্ধার করা হয়েছে।
এক সপ্তাহ আগে, বুলগেরিয়ার বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে সমুদ্র ও আকাশপথ থেকে চালানো ড্রোন হামলায় দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ আক্রান্ত হয়েছিল। ওই হামলায় একটি জাহাজ ডুবে যায় এবং ১০ জন নাবিকের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে নয়জন সিরীয় নাগরিক ছিলেন।
সাম্প্রতিক হামলার পর, মঙ্গলবার জরুরি বৈঠক ডাকেন প্রধানমন্ত্রী রাদেভ। তিনি জানান, হামলার বিষয়ে আলোচনা করার জন্য রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়েছে। রাদেভ মন্তব্য করেন, হামলার জন্য কোনো পক্ষকে দায়ী করার মতো চূড়ান্ত প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি। তবে তিনি মনে করেন, এই ঘটনার ফলে রাশিয়া লাভবান হতে পারে।
পরে বুলগেরিয়ার গণমাধ্যমে মিত্রোফানোভা জানান, সাম্প্রতিক হামলার বিষয়ে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তিনি কোনো তথ্য পাননি। তার ধারণা, তৃতীয় কোনো পক্ষও এই হামলার পেছনে থাকতে পারে। উল্লেখ্য, বুলগেরিয়া ন্যাটোর সদস্য। হামলার বিষয়ে ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন রাদেভ।
আলোচনার পর রুট বলেন, কৃষ্ণ সাগরে মিত্রদেশগুলোর সঙ্গে ন্যাটোর ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে পূর্ব সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখব এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন আনব।’ উল্লেখযোগ্য যে, জাহাজ দুটি বুলগেরিয়ার জলসীমার ঠিক বাইরে আক্রান্ত হয়েছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন