প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চরাঞ্চলের বা অনাবাদী অনাবৃষ্টির খরা কাটিয়ে যে নতুন সম্ভাবনার সূর্য ওঠা সম্ভব, তা এবার বাস্তব করে দেখালেন নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার মাকলাহাট গ্রামের অদম্য তরুণ উদ্যোক্তা মোঃ শামীম। প্রথাগত চাষাবাদের বাইরে গিয়ে নিয়ামতপুরের মাটিতে এই প্রথমবার সফলভাবে গ্রীষ্মকালীন তরমুজের ফলন ঘটিয়ে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন তিনি।
মাত্র ৬২ দিন আগের কথা। নতুন কিছু করার অদম্য ইচ্ছে থেকেই তরমুজ চাষের ঝুঁকিপূর্ণ কিন্তু সম্ভাবনাময় একটি উদ্যোগ নেন শামীম। প্রখর রোদ, আবহাওয়া আর নিবিড় পরিচর্যা—সব চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে আজ এসেছে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। খেত থেকে প্রথম খেপের রসালো ও সুস্বাদু তরমুজ আনুষ্ঠানিকভাবে তুলেছেন (হারভেস্ট করেছেন) তিনি। বর্তমানে বাজারে তরমুজের চাহিদা ও বাজারমূল্য দুটোই আকাশচুম্বী হওয়ায় প্রথমবারেই বাজিমাত করেছেন এই তরুণ।
শামীমের এই অবিশ্বাস্য সাফল্য এখন আর শুধু একক কোনো গল্পে সীমাবদ্ধ নেই। তার দেখানো পথ ধরে মাকলাহাটের আরও বেশ কয়েকজন তরুণ উদ্যোক্তা অনুপ্রাণিত হয়ে তরমুজ চাষে ঝুঁকেছেন।
স্থানীয় কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রীষ্মকালে তরমুজ চাষের এই আধুনিক ও লাভজনক প্রবণতা নিয়ামতপুর উপজেলার সার্বিক কৃষি অর্থনীতিতে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে। তরুণদের এ ধরনের সাহসী পদক্ষেপ কেবল বেকারত্ব দূর করবে না, বরং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করে তুলবে।
এক তরুণ উদ্যোক্তার দূরদর্শিতা আর ৬২ দিনের কঠোর পরিশ্রম আজ পুরো মাকলাহাট গ্রামকে দেখিয়ে দিল—ইচ্ছে আর সঠিক পরিচর্যা থাকলে যেকোনো মাটিতেই সোনা ফলানো সম্ভব!
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন