প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জেলার কলাপাড়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেককে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ‘প্রাণ সংহতি’ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
মালিকানাবিহীন কুকুর-বিড়াল এবং বন্যপ্রাণী উদ্ধার, সংরক্ষণ ও বন্যপ্রাণী অপরাধ দমনে তার অবদানকে স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে কলাপাড়া উপজেলা ভূমি অফিস কার্যালয়ে ‘অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালী’র কলাপাড়া শাখার পক্ষ থেকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়। এ সময় ইয়াসীন সাদেককে সম্মাননার স্মারক হিসেবে একটি ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয়।
সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর কলাপাড়া শাখার টিম লিডার বায়জিদ মুন্সী, সদস্য আল মনজির, মাসুদ হাসান, কাউছারসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বায়জিদ মুন্সী বলেন, ইয়াসীন সাদেক কলাপাড়ায় যোগদানের পর থেকেই বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি বিপদগ্রস্ত বন্যপ্রাণী উদ্ধারে সবসময় সংগঠনকে সহযোগিতা করেছেন। তার এই অবদান আগামীকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
সম্মাননা গ্রহণের পর ইয়াসীন সাদেক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ছোটবেলা থেকে পশু-পাখি ও গাছপালার প্রতি আমার বিশেষ অনুরাগ রয়েছে। এই সম্মান তিনি অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর কলাপাড়া শাখার সদস্যদের উৎসর্গ করছেন। তাদের উৎসাহ এবং সহযোগিতাই তাকে এ কাজ করতে অনুপ্রাণিত করেছে।
তিনি আরও জানান, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে মানুষের সচেতনতা বাড়ানো অপরিহার্য। এ লক্ষ্যে তিনি বিভিন্ন সময়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছেন। ইতোমধ্যে কলাপাড়ায় ১৬টি মহিষের লড়াই বন্ধ করা হয়েছে এবং বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী উদ্ধার করে তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থলে অবমুক্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সংলগ্ন এলাকায় একটি অ্যানিমেল শেড নির্মাণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে কুয়াকাটায় একটি অ্যানিমেল মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে তিনি জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও প্রাণিকল্যাণে প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন