প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সংগৃহীত ছবি
কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রামে এস আলম গ্রুপের সবকটি কারখানা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। সেই অনুযায়ী কর্ণফুলী উপজেলায় এস আলমের সবকটি কারখানা গতকাল শুক্রবার থেকে বন্ধ করে দেওয়া হলো।
এর আগে, বৃহস্পতিবার বেশ কিছু কারখানার শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হয়েছিল।
কর্ণফুলীতে বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলোর মধ্যে এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস ও ইনফিনিটি সি আর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ, এস আলম স্টিল, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস এনওএফ, চেমন ইস্পাত ও গ্যালকো স্টিল, এস আলম ব্যাগ লিমিটেড, এস আলম সিমেন্ট, এস আলম ভেজিটেবল অয়েল অন্তর্ভুক্ত।
জানা গেছে, ব্যাংকের সহযোগিতা না পাওয়ায় এবং কাঁচামাল আমদানি করতে অসুবিধার কারণে কারখানাগুলো আগে থেকেই বন্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল। তবে কিছুদিন মজুদ কাঁচামাল দিয়ে এসব কারখানা চালু ছিল।
এসব কারখানায় আগে থেকেই কিছু শ্রমিক ছাঁটাই করা হলেও এবার সবগুলো প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণরূপে বন্ধের ঘোষণা হল। যদিও এস আলম স্টিল, এস আলম সিমেন্ট, এস আলম ভেজিটেবল অয়েলসহ বেশকিছু প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণার সময় শ্রমিক ছাঁটাইয়ের কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।
এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের শ্রমিকরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে কারখানার নোটিশ বোর্ডে ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের নামের তালিকা টাঙানো হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো, যা ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।
চিনি প্রক্রিয়াজাতকরণের এই কারখানার এক কর্মকর্তা জানান, কর্ণফুলীতে বন্ধ হওয়া কারখানাগুলোর মধ্যে এই রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজে স্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারী রয়েছেন ৫০০ জন, আর অস্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারী প্রায় ২০০। অন্যান্য কারখানায় মিলিয়ে মোট প্রায় সাড়ে চার হাজার শ্রমিক-কর্মচারী নিয়োজিত ছিলেন। ৫ আগস্টের পর ব্যাংকের সহযোগিতা না পাওয়ার কারণে এবং কাঁচামাল আমদানি করতে না পারায় একের পর এক শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। তবে এই সময়কার্থগুলো সম্পূর্ণরূপে বন্ধ ছিল না।
জানতে চাইলে এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের ডিজিএম রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘কারখানায় সব ধরনের উত্পাদন বন্ধ।
তাহলে কর্তৃপক্ষ চাইছেন কর্মরতরা ফিরে যাক।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন