প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন আপ হুড়মুড়িয়ে পড়েছে, যখন সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দেখা যাচ্ছিল ২৬ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর। কিন্তু এই জুটি ভাঙার পর বাংলাদেশের ব্যাটিং আরও দুর্বল হয়ে পড়ে।
শারজায় রশিদ খানের ঘূর্ণিতে বাংলাদেশ ৩৯ রানে শেষ ৬ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৬০ রানে গুটিয়ে যায়। ইনিংসের তখনো ৫২ বল বাকি ছিল।
পঞ্চম উইকেটে সাইফ ও ইমন ৯৩ রানের একটি জুটি গড়েছিলেন। কিন্তু এরপর আর কোনো বড় জুটি গড়ে ওঠেনি। লিটন দাসের চোটের কারণে সুযোগ পাওয়া ইমন ওয়ানডে ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ ৭০ রান করেন, যা ফিফটি পেরিয়ে গেছে। সাইফ ৪১ রান করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করেন। নাজমুল হোসেন শান্ত ১৫ রান করেন।
এই তিনজন ছাড়া বাংলাদেশ দলের অন্য কেউ দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি। বাকিদের স্কোর ছিল মুঠোফোন নম্বরের মতো—১, ০, ০, ২, ৭, ০, ২*, ০। আফগানিস্তানের বোলাররা অতিরিক্ত ২২ রান না দিলে বাংলাদেশ ১৫০ রানও ছুঁতে পারত না।
রশিদ খান ৩১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে আফগানিস্তানের সেরা বোলার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। আজমতউল্লাহ ওমরজাই এবং ইয়ামিন আহমেদজাই ২টি করে উইকেট নিয়েছেন।
ত্রিদেশীয় সিরিজে ফাইনালে উঠতে হলে আজ আফগানিস্তানকে ১১৯ রানের মধ্যে আটকাতে হবে, নেট রান রেটে জিম্বাবুয়েকে পেছনে ফেলে। কিন্তু এই সমীকরণ মেলানো দূরে থাক; বাংলাদেশ এখন শোচনীয় পরাজয়ের শঙ্কায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন