বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৪৩ পি.এম
রাজধানীর উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রো রেল রুটের ৪৬টি পিলারে বিভিন্ন মাত্রায় ফাটল এবং ২৭টি বিয়ারিং প্যাড গুরুতর (ক্রিটিক্যাল) ত্রুটিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সরকার এসব ত্রুটি নিরূপণ ও মেরামতের কৌশল নির্ধারণে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বুয়েট) পরামর্শক হিসেবে নিয়োগসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এসব তথ্য জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, অডিট কমিটির প্রতিবেদনে ৭৩০টি বিয়ারিং প্যাড ত্রুটিপূর্ণ পাওয়া গেলেও সবগুলো গুরুতর নয়। এর মধ্যে ৪৯৭টি ত্রুটি ‘মাইনর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র ২৭টি ত্রুটিপূর্ণ বিয়ারিং প্যাডকে ক্রিটিক্যাল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে ৪৬টি পিয়ারে বিভিন্ন মাত্রায় ক্র্যাক বা ফাটল চিহ্নিত করা হয়েছে।
যাত্রীদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে ডিএমটিসিএল গত ১৬ জুলাই ২০২৬ ‘সুপারিশ বাস্তবায়ন কমিটি’ গঠন করেছে। এরই মধ্যে ১০টি স্থানে স্টিল ব্র্যাকেট ও ২৭টি স্থানে বিয়ারিং প্যাডের সেটেলমেন্ট পরিমাপের জন্য ‘সেটেলমেন্ট মার্কার’ বসানো হয়েছে।
চিহ্নিত ২৭টি ক্রিটিক্যাল বিয়ারিং প্যাড আগামী ৩০ নভেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে প্রতিস্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ৪৬টি পিলারের ফাটলের ঝুঁকি নিরূপণ ও মেরামতের কৌশল নির্ধারণে বুয়েটকে স্ট্রাকচারাল কনসালট্যান্ট হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে।
ফাটল পরিমাপ ও পর্যবেক্ষণের জন্য ১০২টি স্থানে ‘স্ট্রাকচারাল ক্র্যাক গেজ’ বসানো হচ্ছে। আগামী ৩১ অক্টোবর ২০২৬-এর মধ্যে এ কাজ শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়তে থাকায় এর সর্বোচ্চ প্রকোপের আগেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হচ্ছে।
আজ জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’ ঘোষণা করেছেন।’
প্রতিমন্ত্রী জানান, ডেঙ্গু পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় সমন্বিত ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রী গত মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সময়টা ডেঙ্গু সংক্রমণের জন্য বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করে বলেন, এখনই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নিলে আগামী তিন মাসে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দ্বিগুণ হতে পারে।
আগামী ১২ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আনুষ্ঠানিকভাবে এই অভিযানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
সিটি করপোরেশনগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে রেড ক্রিসেন্ট, স্কাউটস, রোভার স্কাউটস, বিএনসিসি, গার্লস গাইড, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের স্বেচ্ছাসেবক দল এবং বিডি ক্লিনসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এই অভিযানে অংশ নেবে।
একই সময়ে দেশের অন্য ১১টি সিটি করপোরেশন, ৩৩০টি পৌরসভা, ৬৪টি জেলা প্রশাসন এবং ৫০৩টি উপজেলা প্রশাসনেও অনুরূপ কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
মীর শাহে আলম জানান, দেশব্যাপী প্রতি শনিবার এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলো প্রতিদিন তাদের নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।
প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৪৫ হাজার ৪৭৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে প্রায় ৩ হাজার ২০০ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি বলেন, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ ছাড়া দেশের সব বিভাগেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক।
তিনি বলেন, ‘খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বেশি। এসব এলাকায় এডিস মশার প্রজননস্থলও রয়েছে অনেক।’
পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে এবং নিজেদের বাড়ি, আঙিনা ও ছাদ পরিষ্কার রাখতে জনগণকে উৎসাহিত করতে সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।
একই সঙ্গে বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি, আবর্জনা ও এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, যেসব জেলা ও উপজেলায় পরিস্থিতি বেশি উদ্বেগজনক, সেখানে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা পাঁচটি করে শয্যা সংরক্ষিত রাখা হবে।
সরকারের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট ও স্যালাইন মজুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ডেঙ্গু আক্রান্তদের মশার কামড় থেকে সুরক্ষিত রাখতে এবং তাদের মাধ্যমে অন্যদের মাঝে যেন ভাইরাস ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য হাসপাতালেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে এবং ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কমিয়ে আনতে সরকারের এই অভিযানে সংসদ সদস্যসহ সব শ্রেণির মানুষকে সহযোগিতার আহ্বান জানান মীর শাহে আলম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, ‘আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সেচ কাজে ডিজেলচালিত পানির পাম্পের পরিবর্তে কৃষকদের সৌরবিদ্যুৎ চালিত পাম্প প্রদান করা হবে।’
বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য তাজউদ্দীন খানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এই কথা বলেন।
জামায়াতে ইসলামীর এই সংসদ সদস্যের প্রশ্ন ছিল, সেচ কাজে ডিজেলচালিত ইঞ্জিনের পরিবর্তে কৃষকদের বিনামূল্যে সোলার বিদ্যুৎ দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা?
প্রধানমন্ত্রী উত্তরে বলেন, ‘বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে, যেসব স্থানে ডিজেল দিয়ে পানির পাম্প চালানো হয় সবগুলোকে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে আমরা সৌর বিদ্যুতের আওতায় নিয়ে যাব।’
তাজউদ্দীন খানের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও অন্যান্য বিকল্প জ্বালানি উৎস সম্প্রসারণের সরকারের কর্মপরিকল্পনাও তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘সরকার দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদার কথা বিবেচনা করে আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ইতোমধ্যে ২০২৬ থেকে ২০৩০ মেয়াদে জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হয়েছে। ওই কৌশলপত্র অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্তত ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্তত ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সম্ভাবনা ও বাস্তবতা বিবেচনায় ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ খাতে নিম্নোক্ত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে- ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫,৫০০ মেগাওয়াট, ভূমিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪,৫০০ মেগাওয়াট এবং অন্যান্য প্রযুক্তি যেমন: বায়ু বর্জ্য, পানিবিদ্যুৎ, ভাসমান সোলার, অ্যাগ্রিভোলটেইক্স ইত্যাদি থেকে ৪৫০-৫৫০ মেগাওয়াট।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন উৎসাহিত করতে সরকার ইতোমধ্যে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের জন্য অপরিহার্য পণ্যগুলোর (সোলার প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারি, স্ট্যাকচার) ওপর আরোপণীয় সমুদয় কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, আগাম কর এবং ২ শতাংশের অতিরিক্ত অগ্রিম আয়কর থেকে শর্তসাপেক্ষে অব্যাহতি প্রদান করেছে। সর্বশেষ গত ১ সেপ্টেম্বর ব্যাটারিসহ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যয় ইউনিট প্রতি সর্বোচ্চ ৮ (আট) টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘বিশেষ প্রণোদনার অংশ হিসেবে উৎপাদন ব্যয়ের ওপর ২০ শতাংশ মুনাফা এ বং ১১.২৫ শতাংশ প্রিমিয়াম বিবেচনা করে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।’
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী- নেট মিটারিং নির্দেশিকা, ২০২৫ অনুসরণপূর্বক যেসব গ্রাহক আগামী বছর ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করে নিজস্ব ব্যবহারের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করবেন তারা পরবর্তী ৩ (তিন) বছর অর্থাৎ ২০৩০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে পাবেন।’
নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে সরকার ইতোমধ্যে নিম্নরূপ নীতিমালা/ গাইডলাইন প্রণয়ন করেছে বলে সংসদকে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পিপিপি পদ্ধতিতে সরকারি সংস্থার মালিকানাধীন ভূমিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প উন্নয়ন নির্দেশিকা, ২০২৬’ এবং ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বেসরকারি অংশগ্রহণ বৃদ্ধি নীতিমালা, ২০২৫’ নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা, ২০২৫, নেট মিটারিং গাইডলাইন, ২০২৫, জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি, ২০২৫, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবসায়িক মডেল এবং ‘অনশোর উইন্ড গাইডলাইন’ এবং ‘কার্বন ক্রেডিট প্রক্রিয়াকরণ বিষয়ক গাইডলাইন।’
সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরীর সস্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সৌরবিদ্যুতের স্টোরেজের জন্য এখানে দুই ধরনের ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। একটি হচ্ছে- লেড ব্যাটারি যেটাতে নরমাল ট্রেডিশনের; আরেকটা হচ্ছে লিথিয়াম ব্যাটারি, যেটি পরিবেশবান্ধব।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার লিথিয়াম এনকারেজ করার চেষ্টা করছে। লিথিয়াম ব্যাটারি স্থাপনের ক্ষেত্রে অর্থাৎ তৈরির ক্ষেত্রে যেসব কলকারখানা স্থাপিত হবে সেটিকে সরকার সব রকমের সহযোগিতা দেবে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘লিড ব্যাটারিতে এসিডের ব্যবহার হয়, যা পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। সেজন্য এটাকে ডিসকারেজ করতে চাইছি।’
তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে আমাদের চিন্তাভাবনা থাকবে যে, রুফটপের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলকভাবে লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহার করতে হবে।’
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকাল সাড়ে তিনটায় সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রথম ৩০ মিনিট ছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব।
প্রধানমন্ত্রীর জন্য আজ আটটি তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন নির্ধারিত ছিল। এরমধ্যে তিনটি প্রশ্ন এবং সাতটি সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের অপরাধপ্রবণ এলাকায় চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৫২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ জানানো হয়, মতিঝিল বিভাগের বিভিন্ন থানা এলাকার অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে গতকাল মঙ্গলবার তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মতিঝিল থানায় ৫ জন, পল্টন থানায় ১৬ জন, খিলগাঁও থানায় ১৮ জন, শাহজাহানপুর থানায় ৩ জন এবং মুগদা থানায় ১০ জন রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল নগরীর কাউনিয়া এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও সন্দেহভাজন অপরাধীদের বিরুদ্ধে আকস্মিক সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে কাউনিয়া থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সন্ধ্যা ৭টা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এ অভিযান পরিচালিত হয়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (কাউনিয়া) পবিত্র কুমার হালদার-এর নেতৃত্বে কাউনিয়া থানার একটি বিশেষ আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে কাউনিয়া ব্রাঞ্চ রোড, মনসা বাড়ি গলি, কমিশনার গলিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশি তৎপরতা জোরদার করা হয়। এ সময় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও সন্দেহভাজন অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে নজরদারি ও তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে পুলিশকে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন। এতে এলাকার মাদক ও অপরাধপ্রবণতা নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতার বিষয়টি সামনে আসে।
অভিযানে কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী এ ধরনের আকস্মিক অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ