প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আওয়ামী লীগের ১৭ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে বিএনপি-জামায়াত রাজপথে একত্রিত হয়েছে। চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে ছাত্রসমাজের সঙ্গে মিলিত হয়ে মাঠে লড়াই করেছেন উভয় দলের নেতা-কর্মীরা। পরবর্তীতে অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণেরা জাতীয় নাগরিক পার্টি নামে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন। একটি সময় পর্যন্ত ফ্যাসিবাদবিরোধী সব পক্ষের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল। তবে সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনের সময় থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে থাকা মিত্রদের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়।
ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্যের মধ্যে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার ফলে কোনো ফাটল সৃষ্টি হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে সরকার ও বিরোধী দলের নেতারা মন্তব্য করেছেন যে ঐক্য এখনও অটুট রয়েছে।
বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, "বিরোধী দলের প্রতি সরাসরি আহ্বান জানাই, আপনাদের অন্য যেকোনো কর্মসূচি আছে অভ্যন্তরীণ রাজনীতির ব্যাপারে, সেটাকে একপাশে রাখেন। কিন্তু আন্তর্জাতিক বিশ্বজনিত পরিস্থিতির কারণে যে সমস্যাগুলো আমাদের ওপর চেপেছে, সে ব্যাপারে আসেন আমরা মিলেমিশে সিদ্ধান্ত নিই।"
তিনি আরও বলেন, "আমরা ফ্যাসিবাদবিরোধীরা যদি একত্রে বসি, তাহলেই সাধারণ মানুষের কাছে একটা ভালো সংবাদ যাবে। এর ফলে কুচক্রী মহল, যারা গার্মেন্টসসহ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে নানান ছলছুতায় অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তারা দমে যাবে।"
জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যসচিব আখতার হোসেন মন্তব্য করেন, "বিএনপি-জামায়াত ও এনসিপিসহ যারা দীর্ঘদিন ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন করেছে, তাদের মধ্যে ঐক্য এখনো আছে।"
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, "সরকার আমাদের বিরুদ্ধে বলছে, আমরা সরকারের বিরুদ্ধে বলছি—এটাই তো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে হতে পারে। গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হচ্ছে প্রত্যেককে স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের সুযোগ দেওয়া। ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য অটুট আছে।"
শুধু গার্মেন্টস শ্রমিকদের সাম্প্রতিক ইস্যু নয়, জাতীয় ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য আরও জোরালো করার প্রয়োজনীয়তা সকলেই অনুভব করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন