প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আকস্মিক বন্যায় নিখোঁজ ও ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধারে কোনো ধরনের বিদেশি সহায়তার প্রয়োজন নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিশ্বের একাধিক দেশ নিজেদের নিখোঁজ নাগরিকদের উদ্ধারে সহায়তার প্রস্তাব করলেও নেপাল সরকার নিশ্চিত করেছে যে, তাদের নিজস্ব নিরাপত্তাবাহিনী এবং উদ্ধারকারী দলগুলো নিজেরাই পরিস্থিতি সামলাতে সক্ষম।
সম্প্রতি চীন সীমান্তসংলগ্ন রাসুয়া জেলাসহ নেপালের বিভিন্ন অঞ্চলে তছনছ করে দেওয়া এই প্রলয়ঙ্কারী আকস্মিক বন্যায় আস্ত শহর সমতল হয়ে গেছে, তছনছ হয়ে গেছে একাধিক জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ। ধ্বংসস্তূপের নিচে ও বানের জলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন কয়েকশত বিদেশি নাগরিক, যাদের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকও রয়েছেন।
পরিস্থিতি বিবেচনায় দক্ষিণ কোরিয়া ইতোমধ্যে নেপালে একটি প্রাথমিক রেসপন্স টিম পাঠিয়েছে এবং একটি পূর্ণাঙ্গ দুর্যোগ ত্রাণ দল পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তবে নেপালের এমন সরাসরি প্রত্যাখ্যানের পর সিউল নিশ্চিত করেছে যে, কাঠমান্ডু আপাতত বিদেশি উদ্ধারকারী দল না নেওয়ার নীতিতে অটল থাকলেও বিষয়টি নিয়ে তাদের সাথে আলোচনা ও দরকষাকষি চালিয়ে যাচ্ছে তারা। সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে নেপালকে দশ লাখ ডলারের মানবিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
প্রতিবেদনে জানা যায়, বন্যায় একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত অন্তত নয়জন দক্ষিণ কোরীয় নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন এবং আরও দশজন দুর্গম এলাকায় আটকা পড়ে আছেন। কেবল দক্ষিণ কোরিয়া নয়, ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, জাপান, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের মতো দেশগুলোও তাদের নিজস্ব উদ্ধারকারী দল পাঠিয়ে সরাসরি অভিযানে অংশ নেওয়ার অনুমতি চেয়েছিল।
সূত্র: রয়টার্স
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন