প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নীলফামারী সদর উপজেলার পঞ্চপুকুর বাজারের কম্পিউটার দোকানগুলোতে সরকারি ও সাধারণ ডিজিটাল সেবার নামে গ্রাহকদের জিম্মি করে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগীদের দাবি, নির্ধারিত ফি বা ন্যায্য মূল্যের তোয়াক্কা না করে মনগড়া ফি হাঁকিয়ে সাধারণ মানুষকে ব্ল্যাকমেইল করছে একশ্রেণীর অসাধু দোকানদার।
অনুসন্ধানে জানা যায়, একটি সাধারণ টিন (TIN) সার্টিফিকেট তৈরি করতে যেখানে মাত্র কয়েক মিনিটের কাজ, সেখানে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে ২৯০ টাকা। শুধু তাই নয়, মাত্র এক পাতা ফটোকপির জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে বাধ্যতামূলকভাবে নেওয়া হচ্ছে ২০ টাকা, যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। কম্পিউটার চালনার অভিজ্ঞতা ও তথ্যের অজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এভাবে প্রতিদিন ডজন ডজন মানুষকে পকেট কাটা হচ্ছে।
ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন—হঠাৎ করে পঞ্চপুকুর বাজারে ডিজিটাল সেবার মূল্য কেন এতটা আকাশচুম্বী? কার ছত্রছায়ায় বা কার মদদে এভাবে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করার সাহস পাচ্ছে এসব অসাধু ব্যবসায়ী? এর পেছনে কোন সিন্ডিকেট বা প্রভাবশালী মহল ইন্ধন জোগাচ্ছে, তা নিয়ে ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় ও জনক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী এক গ্রাহক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সাধারণ কাজের সুযোগ নিয়ে তারা ইচ্ছামতো টাকা দাবি করছে। প্রতিবাদ করলে সেবা না দিয়ে উল্টো হরেক অজুহাত দাঁড় করায়। আমরা এর স্থায়ী প্রতিকার চাই।”
এলাকাবাসীর জোর দাবি, অবিলম্বে পঞ্চপুকুর বাজারে স্থানীয় প্রশাসনের অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হোক। একইসাথে অসাধু এসব কম্পিউটার দোকানদারের লাগাম টেনে ধরতে এবং অবৈধভাবে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার নেপথ্যে থাকা ইন্ধনদাতাদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন