প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
তালতলী উপজেলার মধ্য আমখোলা গ্রামের দুটি ট্রলার সাগরে ইলিশ শিকার করতে গিয়ে বৈরি আবহাওয়ার মধ্যেও তলিয়ে গেছে। বুধবার সকালে দুটি ট্রলারের ১৬ জন জেলেকে উদ্ধার করা হলেও, কালাম পাইক ও শহীদুল খান নামের দুইজন জেলে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
সংবাদ পাওয়া গেছে যে মঙ্গলবার বিকেলে বঙ্গোপসাগরের কুয়াকাটা এলাকায় ঘটনা ঘটেছে। তালতলী উপজেলার আমখোলা এলাকার তপন জোমাদ্দার ও ফুল মিয়ার দুটি ট্রলার ইলিশ শিকার করতে ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ ঘাট থেকে সাগরে গিয়েছিল। কিন্তু ওইদিন বিকেলে বৈরি আবহাওয়ার কারণে ট্রলার দুটি সাগরে ডুবে যায়। ট্রলারের জেলেরা সাগরে ভাসতে থাকে।
উদ্ধার হওয়া ১৬ জন জেলে মৌডুবির একটি ফিসিং ট্রলারে গতকাল বুধবার সকালে উদ্ধার হয় এবং তাদের ফকিরহাট ঘাটে পৌঁছে দেওয়া হয়। অন্যদিকে, কালাম ও শহীদুল নামের দুইজন জেলে এখনও নিখোঁজ রয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৮ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার হওয়া জেলেরা জানিয়েছেন যে, তপন জোমাদ্দারের ট্রলারের দুই জেলে ট্রলারের নীচে রয়েছেন এবং তারা ট্রলার থেকে বের হতে পারেননি।
এছাড়াও, মঙ্গলবার দুপুরে শুভ সন্ধ্যায় নিখোঁজ হওয়া পর্যটক দাখিল ফলপ্রার্থী আসাদুলও একদিনে উদ্ধার করা হয়নি। উদ্ধার হওয়া জেলে কামাল ও জামাল বলেন যে, আমাদের ট্রলারের দুইজন ছাড়া অন্য সকল জেলেকে মৌডুবির একটি ফিসিং ট্রলারে উদ্ধার করা হয়েছে। কালাম পাইক ও শহীদুল খান ট্রলারের মধ্যে থেকে বের হতে পারেননি এবং তাদের অবস্থান সম্পর্কে কিছুই জানা যাচ্ছে না। ট্রলার মালিক তপন জোমাদ্দার বলেন, তার ট্রলার বৈরি আবহাওয়ায় ডুবেনি, বরং অন্য একটি ট্রলার তার ট্রলারকে ডুবিয়ে দিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন। তিনি আরও জানান, ট্রলারের নিখোঁজ দুই জেলের সন্ধানে চেষ্টা চলছে। তালতলী থানার ওসি সাইদুল ইসলাম ঘটনাটি জানিয়েছেন এবং দুজন নিখোঁজের উদ্ধার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ট্রলারে মোট ১৮ জন জেলে ছিল, তাদের মধ্যে ১৬ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন