প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সদ্য প্রকাশিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় যেসব শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি কিংবা শিক্ষা স্রোতধারা থেকে ঝরে পড়ার ঝুঁকিতে পড়েছে, তাদের রাষ্ট্র কোনোভাবে বোঝা হিসেবে বিবেচনা করবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস-কে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এই কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘আগের সরকার এসব অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে ভাবেনি। কিন্তু আমরা তাদের জন্য বিশেষ পলিসি তৈরি করছি।’
পরিকল্পনার ব্যাখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা জানান, অনুত্তীর্ণ তরুণদের টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি), স্বল্পমেয়াদি বিভিন্ন কারিগরি ও ভোকেশনাল কোর্সে যুক্ত করে দ্রুত কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হবে। এ ছাড়া তাদের আত্মকর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের গুণগত মান এবং মূল্যায়নের স্বচ্ছতা বজায় রাখা প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, বিগত সরকারের আমলে পরিসংখ্যানে সফলতা বড় করে দেখানোর জন্য কৃত্রিমভাবে জিপিএ-৫-এর বন্যা ভাসিয়ে দেওয়ার একটি সংস্কৃতি চালু ছিল। এমনকি পরীক্ষা না দিলেও পাস করিয়ে দেওয়ার মতো আত্মঘাতী পথ বেছে নেওয়া হয়েছিল।
তিনি আরও জানান, এবার সেই পুরোনো চর্চা পুরোপুরি বন্ধ করা হয়েছে। মূল্যায়নে কোনো ধরনের গ্রেস নম্বর দেওয়া হয়নি। ফলে শিক্ষার্থীরা শতভাগ নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ প্রক্রিয়ায় নিজেদের অর্জিত সঠিক ফলাফল হাতে পেয়েছে।
অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের হতাশ না হয়ে বিকল্প দক্ষতামূলক প্রশিক্ষণে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান মাহদী আমিন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন