প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দক্ষিণ কোরিয়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার সাথে সামরিক সীমান্তের সমান্তরালে অবস্থানরত বেসামরিক নিয়ন্ত্রণ রেখাটি সরিয়ে সীমাবদ্ধ এলাকা কমাবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহন গিউ-ব্যাক জানিয়েছেন যে, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বর্তমান সময়ের হিসেবে, বেসামরিক নিয়ন্ত্রণ রেখাটি কোরীয় যুদ্ধ-পরবর্তী নির্ধারিত সামরিক বিভাজন রেখা (এমডিএল) থেকে সর্বোচ্চ ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। এই অঞ্চলটিতে প্রবেশ করতে হলে সামরিক বাহিনীর অনুমতি আবশ্যক।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বেসামরিক নিয়ন্ত্রণ রেখা গড়ে প্রায় ৬ কিলোমিটার সরানো হবে। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবির প্রতিফলনে এবং দেশের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি জোরদার হওয়ার কারণে এই পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, বর্তমানে এই নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের ভেতরে প্রায় ২০ হাজার মানুষ বসবাস করছেন। আরো উল্লেখ থাকে যে, কৃষিকাজ ও অন্যান্য পেশার কারণে বহু মানুষ নিয়মিত অনুমতি নিয়ে এসব এলাকায় যাতায়াত করেন।
এর পাশাপাশি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোর উপর আরোপিত কিছু বিধিনিষেধও শিথিল করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে কৃষিকাজে ব্যবহৃত ড্রোন পরিচালনার ক্ষেত্রে রিপোর্টিং এবং অনুমোদন সম্পর্কিত নিয়মগুলোর সহজীকরণ।
বিশ্লেষকদের অনুমান, এসব পদক্ষেপ সীমান্তবর্তী অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও স্থানীয় জনগণের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে আরও সহজ করবে।
গত বছর দায়িত্ব গ্রহণকারী প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ংয়ের উদারপন্থী সরকার উত্তর কোরিয়ার সাথে উত্তেজনা কমাতে ধারাবাহিক কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তবে পিয়ংইয়ং এখনও সিউলের প্রতি কঠোর এবং বৈরী অবস্থান বজায় রেখেছে।
এমন পরিস্থিতিতে, দক্ষিণ কোরিয়ার এই সিদ্ধান্তকে এক দিকে স্থানীয় জনগণের সুবিধা বৃদ্ধি করা এবং অন্য দিকে সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় বাস্তবসম্মত পরিবর্তন আনার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন