প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম কেএএন নিউজ দাবি করেছে যে, ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে আবুধাবি থেকে তেহরানে ৩ বিলিয়ন ডলারের ইরানি সম্পদ স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে এই দাবির পক্ষে এখনও পর্যন্ত কোনো স্বাধীন যাচাই বা সংশ্লিষ্ট সরকারের আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ৬-আরজেএফ নিবন্ধিত একটি ব্যক্তিগত বোয়িং ৭৩৭ বিমানে করে এই সম্পদ তেহরানে পাঠানো হয়। কেএএন নিউজ আরও দাবি করে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি বার্তাও পাঠানো হয়েছিল, যাতে ইরানকে ইসরাইলের বিরুদ্ধে হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে ইসরাইল লেবাননে তাদের সামরিক অভিযান স্থগিত করবে বলেও আশ্বাস দেওয়ার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বলা হচ্ছে, কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা এই বার্তা বিনিময়ের কাজ সম্পন্ন করেন এবং সম্পদবাহী বিমানটি তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে অবতরণ করে। উন্মুক্ত ফ্লাইট তথ্য বিশ্লেষণেও বিমানটির তেহরান যাত্রার বিষয়ে তথ্য দেখা গেছে, যদিও অর্থ বা সম্পদ বহনের কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি। কিছু বিশ্লেষক এই উদ্যোগকে ‘শান্তি কেনার চেষ্টা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
পশ্চিমা গণমাধ্যম ইন্টেলওয়াচ একই ধরনের দাবির ভিত্তিতে জানিয়েছে, আবুধাবি থেকে তেহরানে যাওয়া একটি বিমানে ৩ বিলিয়ন ডলার বহন করা হয়েছে। তাদের মতে, ইরানের সঙ্গে আস্থা বৃদ্ধি এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাত এড়ানোর লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
কিছু পশ্চিমা সূত্রের মতে, পারস্য উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ বর্তমানে তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। সেই প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে কিছু ছাড় বা সুবিধা দিতে পারে বলেও জল্পনা চলছে।
তবে এখনও পর্যন্ত ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র বা কাতারের কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষ এসব দাবির সত্যতা নিশ্চিত করেনি। ফলে বিষয়টি এখনও গণমাধ্যমভিত্তিক দাবি ও জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে।
এদিকে নতুন করে উত্তেজনার খবরও সামনে এসেছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) ইরান একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ও একটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ভূপাতিত করে। একই সঙ্গে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের হরমোজগান প্রদেশের বান্দার আব্বাস, জাস্ক, কেশম ও সিরিক এলাকায় মার্কিন হামলায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
হামলা পাল্টা হামলার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল ত্যাগ করার জন্য সতর্কবার্তা দিয়েছেন। অন্যদিকে ওয়াশিংটনে এমনও আলোচনা চলছে বলে দাবি করা হচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্র পারস্য উপসাগরীয় মিত্রদের ক্ষতিপূরণ দিতে ইরানের জব্দকৃত তহবিল ব্যবহারের বিষয় বিবেচনা করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন