প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মেক্সিকোর বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে সরাসরি লাল কার্ড পাওয়ার পর, ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার জ্যারেল কোয়ানসার বড় শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়েছে। গুরুতর ফাউলের কারণে তাকে বিশ্বকাপের পরবর্তী দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটি।
ফিফার শৃঙ্খলাবিধির ১৪ নম্বর ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে কোয়ানসার বিরুদ্ধে এই শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর ফলে তিনি নরওয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে অংশ নিতে পারবেন না। যদি ইংল্যান্ড সেমিফাইনালে পৌঁছায়, তাও সেই ম্যাচেও তাকে মাঠের বাইরে থাকতে হবে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর রিপোর্ট অনুযায়ী, মেক্সিকোর বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানে জয়ী ম্যাচে কোয়ানসার পাওয়া লাল কার্ডের বিরুদ্ধে আপিল করার ব্যাপারে বিবেচনা করছিল ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ)। তারা যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের ঘটনার উদাহরণ তুলতে চেয়েছিল।
দ্বিতীয় রাউন্ডে বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনার বিরুদ্ধে ম্যাচে লাল কার্ড দেখা বালোগান, নিয়ম অনুযায়ী পরের ম্যাচে নিষিদ্ধ থাকার কথা ছিল। তবে ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটি বিশেষ বিবেচনায় তার নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করায় তিনি শেষ ষোলোর ম্যাচে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে খেলতে পেরেছিলেন।
কিন্তু কোয়ানসার ক্ষেত্রে ফিফা কোনো ছাড় দেয়নি। সংস্থাটির নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনো খেলোয়াড় বা কর্মকর্তা ‘গুরুতর ফাউল’ করে, তাহলে তাকে ন্যূনতম দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ করার বিধান রয়েছে।
মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের ৫৩ মিনিটে কোয়ানসা প্রতিপক্ষের খেলোয়াড় হেসুস গায়ার্দোর পায়ে বুটের তলা দিয়ে আঘাত করেন। ভিএআরের সহায়তায় ঘটনার পর্যালোচনা করে রেফারি তাকে সরাসরি লাল কার্ড প্রদর্শন করেন।
ফিফার এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ৫ জুলাই মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত মেক্সিকো-ইংল্যান্ড ম্যাচে সরাসরি লাল কার্ড পাওয়ার কারণে জ্যারেল কোয়ানসাকে ফিফার শৃঙ্খলাবিধির ১৪ নম্বর ধারা লঙ্ঘনের দায়ে দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শৃঙ্খলাবিধির ৬৯ নম্বর ধারা অনুযায়ী, এই নিষেধাজ্ঞা ২০২৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের পরবর্তী দুই ম্যাচে কার্যকর হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন