প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চলতি বছরের শুরুতে সউদী যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান একটি শক্তিশালী অবস্থান নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেছিলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েই তিনি সদ্য হোয়াইট হাউস সফর করে ফিরেছিলেন। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরও সউদী আরবের অবস্থান বেশ সুবিধাজনক মনে হচ্ছিল। হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ থাকলেও বিকল্প পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল রপ্তানি অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছিল দেশটি।
তবে ইয়েমেনের সীমান্তবর্তী এলাকায় ইরান সমর্থিত হুথি মিলিশিয়াদের সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘাতের তীব্রতা বর্তমানে দেশটির নিরাপত্তায় নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে এটি যুবরাজের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনাগুলোর জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার মাধ্যমে তেলনির্ভর অর্থনীতিকে রূপান্তর করার কথা ছিল।
শনিবার সউদীর রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের ছোড়া অন্তত একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে অন্তত ১৩ জন নিহত এবং শতাধিক মানুষ আহত হন, যাদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হামলা সম্পর্কে অবগত কর্মকর্তারা জানান, ২৮ বছর বয়সী এক মিসরীয় বিমানবালা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা যান, যার একটি হাত বিস্ফোরণে উড়ে গিয়েছিল। এ ছাড়া আরও বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী তাদের অঙ্গ হারিয়েছেন।
ঘটনার সঙ্গে পরিচিত ব্যক্তিরা জানান, বিমানবন্দরটির দুটি টার্মিনালে আঘাত হানা হয় এবং সেগুলোর ছাদ আংশিক ধসে পড়ে। 'স্টোরিফল'-এর যাচাইকৃত ভিডিওতে দেখা যায়, বিমানবন্দর খালি করার সময় যাত্রীরা রক্তমাখা ফ্লোরের ওপর দিয়ে স্যুটকেস টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্ধ থাকা এই বিমানবন্দরে রবিবারও আরও হামলা হয়েছে। একটি প্রজেক্টাইলের আঘাতে ৪ নম্বর টার্মিনালে আগুন ধরে যায় এবং এতে একজনের প্রাণহানির পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকজন আহত হন।
চলতি গ্রীষ্মেও সউদী কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন যে হুথি পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে মিলিশিয়াদের ক্রমবর্ধমান হামলা—যাকে তারা সৌদি পদক্ষেপের প্রতিশোধ হিসেবে উল্লেখ করছে—বিমানবন্দর এবং জ্বালানি স্থাপনাসহ রাজ্যের প্রধান পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইন ও শোধনাগারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। এটি দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্তে বাড়তে থাকা হুমকিকে স্পষ্ট করে তুলছে।
এই সংঘাত সউদী আরবের ভ্রমণ ও পর্যটন শিল্পকে অর্থনীতির একটি প্রধান স্তম্ভ হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টাকে বিপন্ন করে তুলেছে। এর প্রভাব পড়েছে মাসের শেষে নির্ধারিত মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনের ওপরও, যা এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে। যুদ্ধের খরচ ইতোমধ্যে বাজেট ঘাটতি বাড়িয়ে দিয়েছে এবং অর্থনীতিকে মন্দার দিকে ঠেলে দেওয়ার উপক্রম করেছে।
যুবরাজ মোহাম্মদ এই পরিস্থিতি কীভাবে সামলান, তার ফলাফল সৌদি সীমান্ত ছাড়িয়ে অনেক দূর পর্যন্ত প্রভাব ফেলবে। বৈশ্বিক প্রযুক্তি শিল্প এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রকল্পের জন্য সৌদি আরব অন্যতম প্রধান অর্থায়নকারী উৎস। এছাড়া মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ঘাঁটি ও আকাশসীমা ব্যবহারের অধিকার প্রদানেও দেশটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সপ্তাহের শেষে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, যুক্তরাষ্ট্র হুথিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে, তবে মিলিশিয়া গোষ্ঠীটির বিরুদ্ধে সৌদি হামলায় যুক্তরাষ্ট্রও যোগ দিতে পারে। গত শনিবার রাতে ট্রাম্প বলেন, "তারা যা করেছে তা অত্যন্ত খারাপ।"
রবিবারের এক বক্তব্যে হুথির এক সামরিক মুখপাত্র সৌদি বিমানবন্দরগুলো তাদের লক্ষ্যবস্তু—এই হুঁশিয়ারি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। অন্যদিকে সৌদি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আরও হামলা প্রতিহত করার জন্য তাদের কাছে প্রয়োজনীয় ইন্টারসেপ্টর বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতকারী সরঞ্জামের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
ইয়েমেনের হুথি নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে ৫০০ বা তারও বেশি মাইল দূরে অবস্থিত রিয়াদে তীব্র হামলা রাজধানীটির কিছু অংশকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করেছে। পুরো শহরজুড়ে বিস্ফোরণের শব্দে সাধারণ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছে। গত বৃহস্পতিবার প্রতিহত করা একটি ব্যালিস্টিক মিসাইলের ধ্বংসাবশেষ একটি কিন্ডারগার্টেন এবং একটি মেডিকেল ক্লিনিক কমপ্লেক্সে এসে পড়ে। নগরীর আর্থিক জেলার কর্মী, কিছু আন্তর্জাতিক স্কুলের শিক্ষার্থী এবং কূটনীতিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার বা সরে পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে পরিচিত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৪১ বছর বয়সী যুবরাজ বাঙ্কারযুক্ত ও কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত রাজপ্রাসাদগুলোর মধ্যে চলাচল করছেন এবং একটি নির্বাচিত নিরাপত্তা দল তাকে পাহারা দিচ্ছে। গত মঙ্গলবার জাতীয় রক্তদান কর্মসূচিতে রক্ত দেওয়ার মাধ্যমে তিনি সর্বশেষ প্রকাশ্যে এসেছিলেন।
রাইস ইউনিভার্সিটির বেকার ইনস্টিটিউটের পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের বিশেষজ্ঞ এবং ফেলো ক্রিস্টিয়ান কোটস উলরিখসেন বলেন, সউদী নেতার সামনে ভালো বিকল্প খুব কমই আছে। "যেকোনো সামরিক প্রতিক্রিয়ার অর্থ হলো এমন একটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ সংঘাতে আরও গভীরভাবে জড়িয়ে পড়া, যেখানে হুথিরা প্রমাণ করেছে যে তারা উল্লেখযোগ্য এবং প্রতীকী ক্ষতি সাধনে সক্ষম।"
সউদী প্রেস কর্মকর্তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেননি। রাজতান্ত্রিক এই দেশটিতে আধুনিকায়ন এবং বিনিয়োগ ও পর্যটন আকর্ষণের উদ্দেশ্যে গত এক দশকে যুবরাজ মোহাম্মদ অসাধারণ সব প্রকৌশলগত চাহিদাসম্পন্ন প্রকল্পে বিপুল অর্থ ঢেলেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ভবিষ্যৎ শহর 'নিওম', রিয়াদে বিশালাকার কিউব আকৃতির ভবন এবং মরুভূমির স্কি রিসোর্ট। বার্ষিক প্রায় ৩৫০ বিলিয়ন ডলার বাজেটের একটি সরকারের জন্য এ ধরনের পরিকল্পনা অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী, যার মোট খরচ ট্রিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকেছে। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের খরচ এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি সেই অসম্ভব সমীকরণটিকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
বছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বিদেশি বিনিয়োগ হ্রাস পেয়েছে এবং তা যুবরাজের ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা ও অবকাঠামোগত ব্যয় অর্থনৈতিক বহুমুখীকরণ অভিযানে প্রয়োজনীয় অর্থ সরিয়ে নেওয়ার হুমকি সৃষ্টি করছে। এমনকি দেশটির এআই হাব হওয়ার পরিকল্পনাটিও এখন নতুন ঝুঁকির মুখে পড়েছে, কারণ ডেটাকেন্টারগুলোও হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে।
যুবরাজ মোহাম্মদের নেতৃত্বে নেওয়া বিশাল প্রকল্পগুলোর অনেকগুলোই এখন স্থবির অথবা পর্যালোচনার মুখে রয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে সউদী আরব ২০২৯ সালের এশিয়ান উইন্টার গেমস আয়োজনের পরিকল্পনা বাদ দিতে বাধ্য হয়। এছাড়া ২০৩০ সালের ওয়ার্ল্ড এক্সপো এবং তার চার বছর পর ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজন করার জন্য এখনো তহবিল জোগাড় করতে হবে তাদের।
ক্যাপিটাল ইকোনমিকস-এর তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশটির তেলবহির্ভূত অর্থনীতি প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় ছোট হয়ে এসেছে। সৌদি অর্থ মন্ত্রণালয় এখন আশা করছে যে ২০২৬ সালে জিডিপি ৩.৬ শতাংশ সংকুচিত হতে পারে।
বছরের শুরুতে ইরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ হওয়ার পর দেশটি মরুভূমির ওপর দিয়ে লোহিত সাগরে তেল পাম্প করতে সক্ষম হয়েছিল। সেই তেল বিক্রি এবং উচ্চ মূল্যের কারণে তারা কিছুটা সুবিধা পেয়েছিল।
তবে জুলাই মাসে হুথিরা সউদী আরবের ওপর সামুদ্রিক অবরোধের ঘোষণা দেয়, যা লোহিত সাগরের শিপিংকে হুমকির মুখে ফেলে দেয়। এরপর সেপ্টেম্বরে পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনে হামলার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালির বাইরে থাকা সৌদির প্রধান পথটিতেও আঘাত হানে তারা।
এরপর মিলিশিয়ারা সউদী বিমান চলাচলের ওপর নজর দেয়, যা অর্থনীতির আরেকটি স্তম্ভকে চাপের মুখে ফেলে দেয়। হুথিরা রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কমপক্ষে চারবার হামলা চালিয়েছে।
ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে সউদী আরবকে জড়িয়েছিলেন যুবরাজ মোহাম্মদ নিজেই। ২০১৫ সালে হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দেশটির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দিয়েছিল রিয়াদ। সৌদি নেতৃত্বাধীন এই হস্তক্ষেপে চালানো ধ্বংসাত্মক বিমান হামলা সংঘাতকে আরও উসকে দেয় এবং তেল স্থাপনাসহ রিয়াদ ও অন্যান্য শহরে হুথিদের হামলা চালাতে উৎসাহিত করে। পরবর্তীতে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর ২০২২ সালে দুই পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছায়।
ইরানের সঙ্গে চলা সংকট নিরসনে যুবরাজ মোহাম্মদ যখন কাজ করছিলেন, ঠিক তখনই নতুন করে এই হিংসাত্মক পরিস্থিতি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। যুদ্ধের শুরুর দিকে তেহরানের হামলাগুলো উপসাগরীয় অঞ্চলের বিমানবন্দরসহ জ্বালানি স্থাপন এবং অর্থনৈতিক সম্পদগুলোর ঝুঁকি পরিষ্কার করে দিয়েছিল।
সউদীর অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ব্যক্তিরা জানান, বিশাল এই দেশটিকে বিমান প্রতিরক্ষার আওতায় আনতে হিমশিম খাচ্ছিল সৌদি আরব এবং রাজপ্রাসাদ ও জ্বালানি অবকাঠামো রক্ষার্থে তারা আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা বা ব্যাটারিগুলো এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরিয়ে নিচ্ছিল।
ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখার পক্ষে সমর্থন থাকলেও, যুবরাজ তার উপদেষ্টাদের ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক চ্যানেল খোলা রাখতে এবং দেশটির উদ্দেশ্য যে আক্রমণাত্মক নয় তা স্পষ্ট করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
বসন্ত ও গ্রীষ্মজুড়ে হুথিদের বক্তব্য আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। সৌদির গোয়েন্দা তথ্য ইঙ্গিত দেয় যে, যুদ্ধে যোগ দেওয়ার জন্য ইরান তাদের সক্রিয়ভাবে চাপ দিচ্ছিল। তবে কিছু সৌদি কর্মকর্তার মতে, হুথিরা গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় ইতিমধ্যে বড় ধরনের সামরিক ক্ষতির শিকার হয়েছে এবং তারা ইরানের স্বার্থে নয়, বরং নিজেদের স্বার্থেই সিদ্ধান্ত নেবে।
লোহিত সাগরের মুখে অবস্থিত কৌশলগত চৌকি 'বাব আল-মান্দেব'-এর উপকূলীয় এলাকার দখল নিতে আগস্ট মাসে হুথিরা আক্রমণ শুরু করলে তাদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
কৌশলগত বন্দর শহর মোখায় হুথিদের আক্রমণ প্রতিহত করার সময় সৌদি সমর্থিত ইয়েমেনি মিত্রদের ওপর কোনো বিমান সহায়তা পাঠায়নি রিয়াদ, কারণ তারা সংঘাত আরও বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি এড়াতে চেয়েছিল। ফলস্বরূপ, মোখাসহ উপকূলের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানগুলোর পতন ঘটে, যা সৌদি তেল চালানের ওপর হুথিদের হুমকি আরও বাড়িয়ে দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে যুবরাজ মোহাম্মদের নানামুখী প্রচেষ্টা সত্ত্বেও—যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতিও রয়েছে—হুথিদের অগ্রগতি রোধে সামরিক সহায়তার অনুরোধে এখন পর্যন্ত সাড়া দেয়নি ওয়াশিংটন, যদিও তারা কিছু সামরিক উপদেষ্টা পাঠিয়েছে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশটি তাদের সামরিক মিত্র পাকিস্তানের কাছে সহায়তা চেয়েছে এবং বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পেতে সারা বিশ্বে খোঁজখবর চালাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। এছাড়া ইয়েমেনি মিত্রদের সহায়তার জন্য তারা বিদেশি যোদ্ধা সংগ্রহের কথাও ভাবছে। একই সঙ্গে, নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া এই সংঘাতের কোনো কূটনৈতিক সমাধান সম্ভব কি না, সেটিরও সন্ধান করছে রিয়াদ।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন