প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় পদ্মা অয়েল পিএলসির গোদনাইল ডিপোর কর্মীদের কাছে এককালীন ২০ লাখ টাকা এবং প্রতি মাসে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে কৃষক দল নেতা সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ ফয়সালকে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম তাকে গ্রেফতার করে। তিনি নারায়ণগঞ্জ মহানগর কৃষক দলের সদস্য সচিব হিসেবে পরিচিত।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) মো. হাছিনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চাঁদাবাজির অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গল দুপুর ১২টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে ফয়সালকে আটক করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১ জুলাই সকাল ১০টার দিকে ফয়সাল মো. রফিকুল ইসলামের কাছে হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করেন, যিনি পদ্মা অয়েল পিএলসির গোদনাইল ডিপোর জেট-এ-১ পয়েন্টে চেকার হিসেবে কর্মরত। রফিকুলের অভিযোগ, ফয়সাল ডিপোর কর্মচারীদের কাছ থেকে এককালীন ২০ লাখ টাকা এবং প্রতি মাসে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ফয়সাল তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন এবং খুন-জখমের হুমকি দেন। পরে বিভিন্ন সময়ে ফোন করে একইভাবে চাঁদা দাবি ও হুমকি দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১ আগস্ট বেলা সোয়া ১১টার দিকে ফয়সাল অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনকে নিয়ে গোদনাইল ডিপোর জেট-এ-১ পয়েন্টে প্রবেশ করেন। সেখানে কর্মীদের কাছে পুনরায় এককালীন ২০ লাখ টাকা এবং প্রতি মাসে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
কর্মীরা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের সঙ্গে মারমুখী আচরণ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে চাঁদার টাকা না দিলে ডিপোতে চাকরি করতে দেওয়া হবে না এবং থানায় অভিযোগ বা মামলা করলে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেওয়া হয় বলেও মামলায় দাবি করা হয়েছে।
ফয়সালের বিরুদ্ধে এর আগেও চাঁদা দাবি ও হুমকির অভিযোগ উঠেছিল। গত মার্চে সিদ্ধিরগঞ্জের দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া সংবাদমাধ্যমের কাছে দাবি করেছিলেন, ফয়সাল ও তার লোকজন তাদের ড্রেজার ব্যবসা থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন এবং এ বিষয়ে তারা থানায় অভিযোগ দিয়েছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন