প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রয়েছে হুতিদের একের পর এক হামলার কারণে। সংকট শুরু হওয়ার পর ঢাকা থেকে সৌদি আরবগামী ৮৯টি ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। এতে অন্তত ১৪ হাজার ৬৫৫ যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) বুধবার (১৪ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ফ্লাইট বন্ধ থাকার কারণে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৭টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, রিয়াদ এয়ারের ৭টি এবং সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৫টি ফ্লাইট স্থগিত হয়েছে।
এছাড়া, ট্রানজিট ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ইন্ডিগোর ২২টি, এমিরেটসের ১১টি, কাতার এয়ারওয়েজ ও ফ্লাইদুবাইয়ের ৬টি করে, সালাম এয়ারলাইন্সের ৪টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের ১টি ফ্লাইটও স্থগিত করা হয়েছে।
ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার কারণে সৌদি আরবের আকাশসীমা বর্তমানে বেশ ঝুঁকিতে রয়েছে। দেশটির রাজধানী রিয়াদে বিমানবন্দর ও তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে।
গত শনিবার (১০ অক্টোবর) সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতিদের হামলায় ১২ জন প্রাণ হারান, যাদের মধ্যে দুজন বাংলাদেশিও ছিলেন। হামলায় বাংলাদেশিসহ আহত হয়েছেন অন্তত ৩০৯ জন।
সবশেষ গত রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে ফের ওই বিমানবন্দরে হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় একজন পাকিস্তানি নাগরিক নিহত হন এবং আহত হন ১১ জন। গত এক সপ্তাহে রিয়াদ বিমানবন্দরে অন্তত পাঁচবার হামলা হয়েছে। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবারের হামলায় এক পাইলটসহ তিন সৌদি নাগরিক মারা যান।
হুতিরা ওইদিন বিমানবন্দরের পাশাপাশি সৌদিয়া এয়ারলাইনসের একটি বিমানকেও টার্গেট করে হামলা চালায়। এতে ওই পাইলটের মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রায় দুই মাস ধরে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী এবং সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটছে। হুতিরা রিয়াদ বিমানবন্দরকে তাদের সবচেয়ে বড় টার্গেটে পরিণত করেছে।
বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি পূর্বে হুমকি দিয়েছিল যে, যদি কোনো বিমানসংস্থা সৌদির আকাশ দিয়ে বিমান চালায়, তাহলে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে। সেই হুমকির পরই রিয়াদের বিমানবন্দরে হামলা চালানো হয়। হামলার পর রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠানামা স্থগিত রাখা হয়। সেই বিধিনিষেধ এখনো অব্যাহত রয়েছে, যার ফলে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ছয় শতাধিক ফ্লাইট ইতোমধ্যে বাতিল হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন