বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩৯ পি.এম
ঢাকা, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ : রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন যে, কৃষিতে রাসায়নিক সার এবং কীটনাশকের অযথা ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের জন্য কৃষকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন।
তিনি উল্লেখ করেন, অতিরিক্ত ও অপ্রয়োজনীয় রাসায়নিক সার এবং কীটনাশক ব্যবহারের কারণে মাটির স্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং জনস্বাস্থ্যের উপর দীর্ঘমেয়াদি মারাত্মক প্রভাব পড়ছে।
আজ বুধবার দুপুরে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এই তথ্য বাসসকে জানান।
এ সময় শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আব্দুল লতিফের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি কৃষকদের সার ও কীটনাশকের অযথা ব্যবহারের বিষয়ে সজাগ ও সতর্ক করতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানান।
তিনি টেকসই ও আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য গবেষণালব্ধ প্রযুক্তির মাঠপর্যায়ে কার্যকর প্রয়োগ, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং পরিবেশবান্ধব কৃষি চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
একইসাথে, তিনি কৃষি শিক্ষা, গবেষণা ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমের মধ্যে আরও নিবিড় সমন্বয় প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে বিদায় নেয় ইংল্যান্ড। দলের প্রধান কোচ টমাস টুখেল এই ‘বেদনাদায়ক’ ব্যর্থতার স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে বলেছেন, আর্জেন্টিনার কাছে হারের কষ্টদায়ক অভিজ্ঞতা দলের জন্য একটি বড় ট্রফি জেতার দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটাতে আরো বেশি অনুপ্রাণিত করেছে।
সম্প্রতি ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এফএ) অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। খবর দ্য মিরর।
জার্মান কোচ টুখেল বলেন, "এই খেলোয়াড়দের সাথে আমার একটা গভীর আত্মিক টান তৈরি হয়েছে, এখন মনে হয় এরা যেন আমারই খেলোয়াড়। এটাই ফুটবলের সৌন্দর্য—যখন একজন কোচের অধীনে খেলোয়াড়েরা একসাথে যেমন সফলতার আনন্দ উপভোগ করে, তেমনি কষ্টের মুহূর্তগুলোও ভাগ করে নেয়।"
তিনি আরও বলেন, "আমরা একসাথে অনেক সময় কাটিয়েছি এবং এর ফলেই একটি স্বাভাবিক সম্পর্ক বা বন্ধন তৈরি হয়েছে। ওদের আবার দেখতে পেয়ে আমি আনন্দিত, আর ওদেরকে (মাঠে) চ্যালেঞ্জ জানাতে পেরেও আমি খুশি।"
তবে, বিশ্বকাপে অদ্ভুত এক আক্ষেপের কথা স্মরণ করেছেন তিনি। এই বেদনাদায়ক টুর্নামেন্টের মাঝেও মেক্সিকোর বিপক্ষে শেষ ১৬-র ম্যাচে ৩-২ ব্যবধানে পাওয়া স্মরণীয় জয়টির কথা উল্লেখ করেন তিনি। টুখেল বলেন, "ম্যাচটি শেষ হওয়ার পর আমি আমার এক বন্ধুকে মেসেজ পাঠিয়েছিলাম। সেখানে আমি লিখেছিলাম—আমার আফসোস হচ্ছে যে, ম্যাচ শেষে আমি মাঠের কিছুটা ঘাস কেন খেললাম না।"
তিনি আরও যোগ করেন, "ঘাসটুকু খেলে (সেই অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতার) একটা অংশ আমার শরীরের ভেতর চিরদিনের জন্য থেকে যেত। অনুভূতিটা ঠিক এমনই ছিল। মুহূর্তটা ছিল একদম অন্যরকম।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাই সিনেমার জ্যেষ্ঠ অভিনেত্রী নূতন। সম্প্রতি, তিনি ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের প্রথম স্ত্রী অপু বিশ্বাস এবং দ্বিতীয় স্ত্রী শবনম বুবলীর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা এবং অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।
একটি সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে, নূতন অপুর সঙ্গে তার সম্পর্ককে অত্যন্ত চমৎকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, শাকিব খানের স্ত্রী হিসেবে অপু বিশ্বাসকে তিনি ‘মিসেস খান’ বলে সম্বোধন করেন। নূতনের মতে, অপু একজন অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ এবং বড় সুপারস্টার।
অপু বিশ্বাসের পেশাগত সফলতার পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত জীবনও দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে উল্লেখ করে, নূতন তাকে পরামর্শ দেন যে, একজন তারকা বা সুপারস্টার হিসেবে নিজের ব্যক্তিগত বিষয়গুলো সব জায়গায় প্রকাশ না করাই শ্রেয়। তিনি বলেন, "সময় হলে সঠিক বিষয়গুলো সঠিক সময়েই প্রকাশ্যে আসবে।"
এছাড়া, বাংলা সিনেমার জ্যেষ্ঠ এই অভিনেত্রী অপু বিশ্বাসকে শুভকামনাও জানান। তিনি বলেন, "তুমি অনেক ভালো একজন অভিনেত্রী। তোমার সুন্দর একটি ছেলে রয়েছে, তাকে নিয়ে ভালো থাক, সুস্থ থাক।"
শাকিব খানের দ্বিতীয় স্ত্রী শবনম বুবলীর সঙ্গেও কাজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন নূতন। তিনি বলেন, "খান সাহেবের (শাকিব খান) দুই স্ত্রীর সঙ্গেই কাজ করেছি। তবে অপুর সঙ্গে কাজের পরিমাণ বেশি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মশা নিধনের জন্য ভেজাল কীটনাশকের নামে কেরোসিন সরবরাহ, বাসাবাড়ির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অবৈধ দখলদারি এবং চাঁদাবাজির মাধ্যমে শতকোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এ অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে সহকারী পরিচালক মেহেদী মুসা জেবিন এবং উপসহকারী পরিচালক হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি দল অভিযান পরিচালনা করছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম।
অভিযোগের মধ্যে রয়েছে, ঠিকাদারি চক্র, ল্যাব কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রভাবশালীদের সহযোগিতায় মশা নিধন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নামে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ উভয় সিটি করপোরেশনে একই ধরনের অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আরো পড়ুন
স্পিকারের সঙ্গে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১১ ও ২০১৯ সালে ভেজাল কীটনাশক সরবরাহের দায়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ‘দি লিমিট অ্যাগ্রো’ নামক প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়। এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চক্রের মূলহোতা মিজানুর রহমান নাম ও প্রতিষ্ঠানের কাঠামো পরিবর্তন করে ‘ফরোয়ার্ড ইন্টারন্যাশনাল’ নামে নতুন প্রতিষ্ঠান খুলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে কাজ শুরু করেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গত দুই বছরে ওই প্রতিষ্ঠানকে ডিএসসিসি থেকে তিনটি কার্যাদেশের মাধ্যমে প্রায় ৪৮ কোটি টাকার কীটনাশক সরবরাহের কাজ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, পরীক্ষার সময় সঠিক মানের কীটনাশক দেখানো হলেও মাঠপর্যায়ে ফগিংয়ের নামে কেবল কেরোসিন ছিটানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে মশক নিবারণী দপ্তরের স্টোরকিপার ও অ্যাকাউন্টস শাখার কর্মীদের বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগও করা হয়েছে।
আরো পড়ুন
পর্যায়ক্রমে মাদরাসাকেও মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হবে : ববি হাজ্জাজ
অন্যদিকে, বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের অভিযোগও রয়েছে। সিটি করপোরেশনের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ফ্ল্যাট থেকে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা ফি নেওয়ার কথা থাকলেও অভিযোগ রয়েছে, ধানমন্ডি, আজিমপুর, কাঁঠালবাগান, কায়েতটুলী ও যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় বাসিন্দাদের কাছ থেকে ১২০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকেও নেওয়া হচ্ছে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পর্যন্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ অপরাধমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ এবং রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
মন্ত্রী বলেন, অপরাধ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা তথা ক্রাইম রিপোর্টিং অপরাধমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অপরাধের ধরন সময়ের সঙ্গে বদলাচ্ছে এবং এখন এটি আধুনিক প্রযুক্তি ও ডিজিটাল ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠেছে। এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে অপরাধ দমন ও প্রতিরোধে আধুনিক আইনি কাঠামোর পাশাপাশি গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল এবং বস্তুনিষ্ঠ ভূমিকা জরুরি।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ, অপরাধী, অপরাধবিজ্ঞান, পুলিশ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরস্পরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তথ্য ও পরামর্শ দেওয়ার ক্ষেত্রে ক্র্যাবের মতো ঐতিহ্যবাহী সংগঠনের প্রয়োজন রয়েছে। ৩১৮ জন পেশাদার সদস্য নিয়ে ৪৩ বছরের যাত্রায় ক্র্যাব অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে।
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে জ্ঞানভিত্তিক একটি উচ্চমানের শাখা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের সাংবাদিকতায় গভীর পড়াশোনা ও তথ্য বিশ্লেষণের প্রয়োজন হয়। অপরাধের মূল কারণ উদ্ঘাটনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, অপরাধ শুধু একটি বাহ্যিক উপসর্গ। এর মূল কারণ অনুসন্ধান করে অপরাধের গোড়ায় আঘাত করতে হবে।
সমাজে সংঘটিত বিভিন্ন ঘৃণ্য ও চাঞ্চল্যকর অপরাধ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মাদক ও জুয়া অপরাধের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর মতে, অপরাধীকে শাস্তি দেওয়ার পাশাপাশি কেন অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে, তা নিয়ে সমাজকে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে। অপরাধের উৎসে সমাধান করা গেলে সমাজে অপরাধের হার কার্যকরভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব।
মন্ত্রী বলেন, ক্রাইম রিপোর্টাররা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করেন। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বা আহত সাংবাদিকদের সহযোগিতার বিষয়টি করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার তহবিলসহ অন্যান্য উপায়ে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।
পেশাগত শ্রেষ্ঠত্ব ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার স্বীকৃতি হিসেবে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা পুলিশের পক্ষ থেকে সনদ দেওয়া যায় কি না, সে বিষয়েও আইনগত দিক পর্যালোচনা করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
গণমাধ্যমকে সমাজের দর্পণ আখ্যা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের প্রতি তাঁদের দায়বদ্ধতা সঠিকভাবে পালন করলে সমাজ ও রাষ্ট্রে অপরাধ অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। রাষ্ট্র যা চায় এবং সমাজ যা প্রত্যাশা করে, তা বাস্তবায়নে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সাংবাদিকদের সক্রিয় ভূমিকা অপরিহার্য।
অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনা নিয়ন্ত্রণে অতীতের সফলতার উদাহরণ তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সরকারের সময়ে অ্যাসিড নিক্ষেপ রোধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। কঠোর আইন, গণমাধ্যমের বলিষ্ঠ ভূমিকা ও ব্যাপক সামাজিক সচেতনতার সম্মিলিত প্রয়াসে দেশে অ্যাসিড-সংক্রান্ত অপরাধ প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।
একইভাবে মাদক, অনলাইন জুয়াসহ অন্যান্য অপরাধ নির্মূলেও সাংবাদিক, রাষ্ট্র ও সমাজের সম্মিলিত প্রয়াস প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
অনলাইন জুয়া ও মাদক নির্মূলে আইনি কাঠামো সংস্কারের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সময়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পুরোনো আইন আধুনিকায়ন করা প্রয়োজন। ১৮৬৭ সালের পুরোনো জুয়া আইন পরিবর্তন করে ডিজিটাল মাধ্যমে অনলাইন জুয়া, খেলা পাতানো ও সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র মোকাবিলায় ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এ ছাড়া ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, দুর্বল আইনের ফাঁক গলে যাতে অপরাধীরা পার পেয়ে যেতে না পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কার ও নতুন আইন প্রণয়নে সরকার কাজ করছে।
ক্র্যাব সভাপতি মির্জা মেহেদী তমালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ক্র্যাবের সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ।
বক্তারা ক্র্যাবের ৪৩ বছরের অবদানের প্রশংসা করেন এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কেক কাটার মাধ্যমে ক্র্যাবের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ