প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জামাল নজরুল ইসলাম গণিত ও ভৌত বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের নতুন ৬ তলা অ্যানেক্স ভবনের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করা হয়েছে।
বিশ্বখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতবিদ অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত গবেষণা কেন্দ্রটির ভিত্তিপ্রস্তর আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান উদ্বোধন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম ও প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আবদুল আহাদ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার প্রতি আমরা বিশেষ গুরুত্বারোপ করছি। এ ভবন গবেষণার কাজে ব্যবহার হবে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।’
দেখা যাচ্ছে, অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম ১৯৮৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন। গত চার দশকে এই গবেষণা কেন্দ্রের সম্প্রসারণ বা নতুন ভবন নির্মাণের কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ ছিল না। অবশেষে, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অর্থায়নে ৯ কোটি ৬২ হাজার ৭৬৪ টাকায় ৬ তলা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে।
প্রকল্প পরিচালক ও চবির প্রকৌশল দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) মো. ইলিয়াছ চৌধুরী জানিয়েছেন, এই গবেষণা কেন্দ্রের জন্য সামগ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে প্রায় ৪০ কোটি টাকার। পরিকল্পনার অধীনে দেড় হাজার বর্গফুট জায়গায় ৬ তলা একাডেমিক ভবন, ৮ হাজার ৫০০ বর্গফুট জায়গায় অডিটোরিয়াম, ১০ হাজার বর্গফুট জায়গাজুড়ে প্লাজা ও লিলি পন্ড এবং প্রায় আড়াই হাজার বর্গফুট জায়গায় পার্কিং এরিয়া নির্মাণ করা হবে।
তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘বর্তমানে ৯ কোটি টাকার প্রকল্পের আওতায় ৬ তলা ভিত্তিসম্পন্ন একটি ভবনের নির্মাণকাজ চলছে। আগামী এক বছরের মধ্যে ভবনটির দুই তলার নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পরবর্তীতে ইউজিসি থেকে বরাদ্দ পাওয়ার পর অবশিষ্ট কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।’
তিনি আরও জানান, ‘প্রকৃতির কোনো ধরনের ক্ষতি না করেই পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। এ বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছি।’
গত ৯ জুলাই থেকে নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে এবং আগামী ৩৬৫ দিনের মধ্যে, অর্থাৎ ২০২৭ সালের ৯ জুলাইয়ের মধ্যে নির্ধারিত কাজ শেষ করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।
জানা গেছে, তিন দফা দরপত্র আহ্বানের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিএসআই কনস্ট্রাকশান লিমিটেড ৯ কোটি ৬২ হাজার ৭৬৪ টাকায় কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়েছে। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ৯ কোটি ৮৪ লাখ ৮৩ হাজার ৬২ টাকা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন