ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুদকের নতুন চেয়ারম্যান হলেন এ কে এম আসাদুজ্জামান


দুদকের নতুন চেয়ারম্যান হলেন এ কে এম আসাদুজ্জামান

সরকার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে নিয়োগ দিয়েছে। একই সময়ে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. জাকির হোসেন খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া।

সোমবার (১৭ আগস্ট) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগের বিষয়টি প্রকাশ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ৮ ধারার উপধারা (১) অনুযায়ী তাদের কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: ইসহাক সরকার ও তারেক আদেল এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক হচ্ছেন

এছাড়াও, প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, একই আইনের ৫ ধারার উপধারা (১) অনুযায়ী বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের জন্য নির্ধারিত বেতন, ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারকের সমপর্যায়ের। অন্যদিকে, কমিশনার ড. জাকির হোসেন খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার জন্য বেতন, ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের সমপর্যায়ের নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে নিয়োগ প্রাপ্তদের পরিচয় উল্লেখ করা হলেও, তাদের বিস্তারিত কর্মপরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

এর আগে, গত ২ জুলাই দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটি রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ পাঠানোর জন্য এসব জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান জানিয়েছিল।

আরও পড়ুন: ‘দেশের আগে বিএনপি’ মন্তব্য আব্দুস সাত্তার এমপির

আইনের অধীনে, দুদক সর্বোচ্চ পাঁচজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত হতে পারে এবং রাষ্ট্রপতি থেকে একজনকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। কমিশনার হওয়ার জন্য আইন, বিচার, প্রশাসন, শিক্ষা, হিসাব-নিরীক্ষা, শৃঙ্খলা বাহিনী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমে কমপক্ষে ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকা আবশ্যক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাসিরনগরে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, সালিশে ‘কান ধরে উঠবস’ করিয়ে মীমাংসার চেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩৬ পি.এম


নাসিরনগরে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, সালিশে ‘কান ধরে উঠবস’ করিয়ে মীমাংসার চেষ্টা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার চাচাতো ভাই জাহিদুল ইসলাম (২৪) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ ওঠার পর, স্থানীয়ভাবে সালিশ বসিয়ে অভিযুক্তকে সাতবার কান ধরে উঠবস করিয়ে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছে, এটি কিশোরীর পরিবার দাবি করেছে। অভিযোগকারী পরিবারের সদস্যরা পরে পুলিশকে জানাতে বাধ্য হয়েছেন। সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে, কিশোরীকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের গাইনি বিভাগে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযোগের ঘটনায় কিশোরীর সোয়াব ও প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। অভিযুক্ত জাহিদুল ইসলাম নাসিরনগর উপজেলার ফান্দাউক ইউনিয়নের আতুকুরা গ্রামের মাইজনবাড়ি এলাকার সফিল মিয়ার ছেলে বলে জানা গেছে। কিশোরীর পরিবার ও পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে, জাহিদুল কিশোরীকে বাড়ির পাশে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে পরে একটি ভাঙা ঘরে তাকে জোরপূর্বক যৌন নিপীড়ন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার পর কিশোরী তার বড় বোনকে বিষয়টি জানালে, পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছে যে, কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। পরদিন সকালে, কিশোরীর বড় ভাই এই বিষয়ে জাহিদুলকে প্রশ্ন করলে, তিনি তাকে আক্রমণ করেন এবং মামলা করলে পরিণতি ভালো হবে না বলে জানিয়ে দেন। এরপর স্থানীয় গ্রামের সর্দারকে বিষয়টি জানানো হলে, সোমবার সকাল ৯টার দিকে সেখানে সালিশ বসা হয়। সালিশে স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্য ফাহিমা খাতুন উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়। সেখানে অভিযুক্তকে সাতবার কান ধরে উঠবস করানোর মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু কিশোরীর পরিবার এই ধরনের সালিশ মেনে নেয়নি। পরে, কিশোরীকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে পুলিশ তাকে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষার জন্য পরামর্শ দেয়। এরপর কিশোরীকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পর থেকে, অভিযুক্ত জাহিদুল পলাতক রয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। কিশোরীর বড় ভাই বলেন, জাহিদুল একটি কসমেটিকসের ব্যবসা করেন। তার বোন অত্যন্ত সহজ-সরল প্রকৃতির। তিনি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সিনিয়র স্টাফ নার্স নেহেরা আক্তার বলেছেন, কিশোরী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর অভিযোগের ঘটনায় সোয়াব ও প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। বিষয়টি গাইনি কনসালটেন্টকে জানানো হয়েছে, চিকিৎসকের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পরবর্তী বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। নাসিরনগর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুল ইসলাম বলেছেন, বিষয়টি পুলিশ অবগত। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। কিশোরীর পরিবারকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রিন রোডের রূপসা রেস্টুরেন্টকে নিরাপদ খাদ্য আইনে ১ লাখ টাকা জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ পি.এম


গ্রিন রোডের রূপসা রেস্টুরেন্টকে নিরাপদ খাদ্য আইনে ১ লাখ টাকা জরিমানা

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : খাদ্য নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের কারণে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুসারে রাজধানীর গ্রিন রোডের ‘রূপসা রেস্টুরেন্ট’কে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপ Authority।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিরাজুম মুনীরা কায়ছানের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে এ জরিমানা করা হয়। জরিমানা করা অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময়ে রেস্টুরেন্টটির রান্নাঘর অত্যন্ত নোংরা ও অপরিষ্কার অবস্থায় পাওয়া যায়। রান্নাঘরের ফ্লোরটিও ভাঙা অবস্থায় দেখা যায়। এছাড়াও রেফ্রিজারেটরে যথাযথ লেবেল ছাড়াই মাছ, মাংস, গ্রিল চিকেন এবং বিভিন্ন ধরনের রান্না করা মশলা সংরক্ষণ করতে দেখা যায়।

অভিযানকালে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ রেস্তোরাঁ নিবন্ধন সনদ, প্রিমিসেস লাইসেন্স, খাদ্য কর্মীদের স্বাস্থ্যসনদ এবং পেস্ট কন্ট্রোলের প্রমাণপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়। এসব অপরাধে দোষ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অভিযানে নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. আসলাম ভূইয়া, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফ এবং ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যদের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে কটাক্ষের মুখে আল্লু অর্জুন, মুছলেন পোস্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ পি.এম


স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে কটাক্ষের মুখে আল্লু অর্জুন, মুছলেন পোস্ট

ভারতের স্বাধীনতা দিবসে ভক্তদের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে চরম বিতর্কের মুখে পড়েছেন দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় সুপারস্টার আল্লু অর্জুন।  জাতীয় পতাকায় অশোক চক্র না থাকা এবং পতাকার ছবিতে নিজের ব্যক্তিগত লোগো ব্যবহার করায় নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়েছেন এই ‘পুষ্পা’ খ্যাত অভিনেতা। তীব্র সমালোচনা ও কটাক্ষের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) থেকে বিতর্কিত সেই পোস্টটি মুছে ফেলতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।

ঘটনার সূত্রপাত গত ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবসের দিন। ওই দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি অলংকরণ বা ইলাস্ট্রেশন শেয়ার করে অনুরাগী ও দেশবাসীকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানান আল্লু অর্জুন। ছবিটিতে ভারতের ঐতিহাসিক লাল কেল্লা এবং জাতীয় পতাকার একটি চিত্র তুলে ধরা হয়েছিল। তবে পোস্টটি করার পরপরই তা নেটিজেনদের তীক্ষ্ণ নজরে আসে। তারা দেখতে পান, ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড বা পেছনের অংশে আবছাভাবে অশোক চক্র দেখা গেলেও মূল ভারতীয় জাতীয় পতাকার মাঝে যে নীল রঙের অশোক চক্রটি থাকা বাধ্যতামূলক, সেটি সেখানে নেই।

জাতীয় পতাকার এমন দৃশ্য দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা। অসন্তোষ প্রকাশ করে এক নেটিজেন লেখেন, ওনার ন্যূনতম সাধারণ জ্ঞানটুকুও নেই। জাতীয় পতাকায় অবশ্যই অশোক চক্র থাকা উচিত। একই সঙ্গে শুভকামনা জানানোর ছবির মধ্যে নিজের লোগো ব্যবহার করা নিয়েও শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। অন্য এক ব্যবহারকারী ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, এমন একটা জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছাতেও নিজের লোগো ব্যবহার করেছেন! এটি অত্যন্ত নিচু মানসিকতার পরিচয়। আবার কেউ কেউ বিষয়টিকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করতেও ছাড়েননি। একজন ব্যঙ্গ করে লেখেন, আল্লু অর্জুন এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) কীভাবে ব্যবহার করতে হয় সেটাই জানেন না। অন্য একজন সরাসরি মন্তব্য করেন, এটি পুরোপুরিই তার ‘জ্ঞানের অভাব’।

তবে বিতর্কের এই ঝড়ের মাঝে আল্লু অর্জুনকে সমর্থন করে এগিয়ে এসেছেন তার অনেক ভক্ত ও সাধারণ অনুরাগী। তাদের দাবি, এটি অভিনেতার নিজের কোনো ভুল নয়, বরং তার সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট টিমের অসাবধানতার ফল। অভিনেতার পক্ষে সাফাই গেয়ে এক অনুরাগী লিখেছেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি নিচে অশোক চক্রটি রয়েছে, কিন্তু পতাকায় তা নেই। এটি নিছকই একটি ভুল ছাড়া আর কিছু নয়। মানুষমাত্রই ভুল হতে পারে এবং এটি পুরোপুরি তার টিমের গাফিলতি। এটাকে অযথা বড় কোনো বিষয় বানিয়ে তিলকে তাল করার দরকার নেই। যদিও এই পুরো বিতর্ক ও নেটপাড়ার হট্টগোল নিয়ে আল্লু অর্জুন বা তার টিমের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

আল্লু অর্জুন তার সাম্প্রতিক ব্লকবাস্টার ছবি ‘পুস্পা ২: দ্য রুল’-এর অসামান্য সাফল্যের পর এবার পা রাখতে চলেছেন নতুন এক বড় প্রজেক্টে। তামিল পরিচালক অ্যাটলি-র পরিচালনায় একটি সায়েন্স-ফিকশন ঘরানার সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন তিনি, যার নাম রাখা হয়েছে ‘রাকা’। এই ছবির মাধ্যমে প্রথমবার একসঙ্গে কাজ করছেন আল্লু অর্জুন ও অ্যাটলি। তারকাবহুল এই সিনেমায় আল্লু অর্জুনের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করবেন দীপিকা পাড়ুকোন, ম্রুণাল ঠাকুর, রাশমিকা মান্দানা, জিম সারভ এবং জাহ্নবী কাপুরের মতো একঝাঁক তারকা।

চলতি বছরের এপ্রিল মাসে প্রকাশ পায় ‘রাকা’ সিনেমাটির প্রথম ঝলক বা ফার্স্ট লুক। সেই পোস্টারে আল্লু অর্জুনকে চোখে কাজল এবং প্রস্থেটিক মেকআপে এক রহস্যময় লুকে দেখা গিয়েছিল। তার গায়ে ছিল পশমি পোশাক এবং তা থেকে বেরিয়ে আসছিল বিশাল এক পশুর থাবা, যা কোনো বিশেষ রূপান্তরের ইঙ্গিত দেয়। সিনেমাটিতে আল্লু অর্জুনকে নাকি চারটি ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে দেখা যাবে। গুঞ্জন উঠেছে, ছবিতে তিনি একই সঙ্গে একজন দাদু, বাবা এবং দুই ছেলের চরিত্রে অভিনয় করবেন, যদিও নির্মাতারা এখনো এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেননি। বিশাল বাজেটের এই মেগা সায়েন্স-ফিকশন ড্রামাটি ২০২৭ সালে প্রেক্ষাগৃহে বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জাম আমদানিতে শুল্ক-কর সুবিধা নিশ্চিতের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৩ পি.এম


সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জাম আমদানিতে শুল্ক-কর সুবিধা নিশ্চিতের নির্দেশ

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আমদানিতে সরকার ঘোষিত শুল্ক-কর সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের কাস্টমস হাউজ ও এলসি স্টেশনগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

এছাড়া, সৌর প্যানেল ও ইনভার্টারের এইচএস কোড বিষয়ে কোনো বিভ্রান্তি থাকলেও নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আমদানিকারকদের সুবিধা দেওয়ার কথা জানাতে ভুল করেছে সংস্থাটি।

এনবিআরের রাজস্ব ভবন থেকে আজ সোমবার জারি করা একটি পরিপত্রে এই নির্দেশনাগুলো দেওয়া হয়েছে।

তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক-কর ছাড় দেওয়ার ঘোষণা করা হলেও মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন কাস্টমস হাউজ ও এলসি স্টেশনগুলোতে পণ্য খালাসে দীর্ঘসূত্রতা ও জটিলতা দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশে এ বিষয়টি এনবিআরের নজরে আসলে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, সৌর প্যানেল আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রজ্ঞাপনে সোলার ফটোভোলটাইক/মডিউল/প্যানেলের এইচএস কোড ৮৫৪১.৪৩.০০ উল্লেখ রয়েছে। তবে, যদি কোনো আমদানিকারকের বিল অব এন্ট্রিতে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন-সংশ্লিষ্ট একাধিক পণ্য ঘোষিত হয় এবং সেসব পণ্যে ভিন্ন এইচএস কোড ব্যবহার হয়, তবে শুধুমাত্র এ কারণে শুল্ক-কর সুবিধা থেকে অব্যাহতি দেয়া যাবে না।

এ ক্ষেত্রে প্রজ্ঞাপনের নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে, সৌর প্যানেলের জন্য বিদ্যমান প্রজ্ঞাপনের সুবিধা এবং অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপনের শুল্ক-কর পরিশোধ করে পণ্য খালাস করতে পারবেন আমদানিকারকরা, উল্লেখ করেছে এনবিআর।

এ ছাড়া, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত সোলার ইনভার্টারের আমদানিতে এইচএস কোড সংক্রান্ত জটিলতাও দূর করা হয়েছে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, গত ৮ জুন সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপনের টেবিল-১-এ সোলার ইনভার্টারের বিপরীতে অনুবন্ধনাত্মকভাবে এইচএস কোড ৮৫০৪.৪০.৪০-এর পরিবর্তে এইচএস কোড ৮৫০৪.৪০.৯০ উল্লেখ থাকলেও পণ্যের বর্ণনা আলাদা অবস্থানে গুরুত্বপূর্ণ হবে। ফলস্বরূপ, সৌর ইনভার্টার আমদানির ক্ষেত্রে উক্ত প্রজ্ঞাপনে বর্ণিত শুল্ক-কর রেয়াতের সুবিধা প্রযোজ্য হবে।

একইভাবে, যদি কোনো উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সৌর প্ল্যান্ট স্থাপন করতে চায়, তাহলে ওই প্ল্যান্ট স্থাপনের প্রয়োজনীয় সব পণ্যের ক্ষেত্রে শুল্ক-কর সুবিধা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে এনবিআর।

এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শুল্ক-সুবিধা সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন ও আমদানি নীতিমালায় নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে, কেবল ১ শতাংশ কাস্টমস ডিউটি দিয়ে পণ্য খালাস করা যাবে। তবে বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের ক্ষেত্রে ১ শতাংশ কাস্টমস ডিউটি, ৭ দশমিক ৫ শতাংশ আগাম কর এবং ৫ শতাংশ অগ্রিম আয়কর প্রযোজ্য থাকবে। পরবর্তী সময়ে এই আগাম কর ও অগ্রিম আয়কর সমন্বয় করা যাবে।

এনবিআর জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ে যেন অযথা জটিলতা বা দীর্ঘসূত্রতা না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর ধারা ২৬৬-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%