প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বের ২১টি দেশে বছরে প্রায় দুই কোটি শিশু অনলাইনে অন্তত একধরনের যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। জাতিসংঘের শিশু সংস্থা ইউনিসেফের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জরিপে অংশগ্রহণকারী ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে প্রায় প্রতি পাঁচজনের একজন অনলাইনে যৌন শোষণ বা নির্যাতনের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। আফ্রিকা, এশিয়া, লাতিন আমেরিকা ও পূর্ব ইউরোপের ২১টি দেশের তথ্যের ভিত্তিতে এই হিসাব তৈরি করা হয়েছে।
ইউনিসেফের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় দেড় কোটি শিশু অনিচ্ছাকৃতভাবে যৌন বিষয়বস্তুর সম্মুখীন হয়েছে। এছাড়া, প্রায় ৯০ লাখ শিশুকে যৌন আলাপ বা যৌন ছবি শেয়ার করতে চাপ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, প্রায় ৪০ লাখ শিশুর যৌন ছবি তাদের সম্মতি ছাড়াই অন্যদের কাছে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
ইউনিসেফের উদ্বেগ, বিশ্বজুড়ে এ ধরনের নির্যাতনের শিকার শিশুদের প্রকৃত সংখ্যা কয়েক কোটি হতে পারে। অনেক শিশু এসব ঘটনার কথা প্রকাশ করতে বা কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারে না।
প্রতিবেদনে ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ২১টি দেশে প্রায় ২১ হাজার ইন্টারনেট ব্যবহারকারী শিশুর ওপর পরিচালিত জাতীয় প্রতিনিধিত্বশীল জরিপের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।
এই দেশের মধ্যে কেনিয়া, পাকিস্তান, ব্রাজিল ও সার্বিয়াও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যৌন শোষণ ও নির্যাতনের প্রায় ৬০ শতাংশ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট ও টিকটকের নাম রয়েছে। এছাড়া, ১৪ শতাংশ ঘটনা অনলাইন গেমে ঘটেছে।
তবে মেটার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, জরিপের তথ্যের বড় অংশ পুরনো।
কিশোরদের সুরক্ষায় এরপর বেশ কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কিশোরদের অ্যাকাউন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যক্তিগত রাখা এবং অপরিচিত প্রাপ্তবয়স্কদের বার্তা ঠেকানোর ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মেটার দাবি, শিশু যৌন শোষণ প্রতিরোধে তাদের সব প্ল্যাটফর্মে কঠোরভাবে কাজ চলছে এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে সহায়তা করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন