প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার চণ্ডীপুর গ্রামে পুলিশের হাতে হাতকড়া পরা অবস্থায় থাকা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য আবু ছিদ্দিক পালিয়ে গেছেন। তাকে আটক করার চেষ্টা করার সময় পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এই ঘটনা ঘটে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাত ৯টার দিকে কুড়ুলগাছী ইউনিয়নের চণ্ডীপুর গ্রামে। পলাতক আবু ছিদ্দিক কুড়ুলগাছী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য এবং চণ্ডীপুর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আবু ছিদ্দিককে আটক করার জন্য রাতে পুলিশ চণ্ডীপুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। দর্শনা থানার একটি পুলিশ দল তাকে আটক করে এবং হাতকড়া পরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে তার পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা লাঠিসোটা নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায় এবং তাকে ছিনিয়ে নেয়। এক পর্যায়ে পুলিশের পরাণ হাতকড়া নিয়েই আবু ছিদ্দিক পালিয়ে যান।
পুলিশের ওপর হামলা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন- চণ্ডীপুর হালদারপাড়ার রবি হালদারের ছেলে লক্ষ্মণ, সেলিমের ছেলে ফিরোজ, সঞ্চয়ের স্ত্রী কণা এবং সঞ্জিতের স্ত্রী সোনালী।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দামুড়হুদা-জীবননগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরুল্লাহ বলেন, "আওয়ামী লীগ নেতা আবু ছিদ্দিককে আটক করতে গেলে পরিবারের লোকজনসহ প্রতিবেশীরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। তাকে পুনরায় আটকের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"
এ বিষয়ে দর্শনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুখলেসুর রহমান জানান, ঘটনার পর থেকে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে জোরালো চেষ্টা চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন