প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা আজ বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বের ১২৬ শহরের মধ্যে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (আইকিউএয়ার) অনুযায়ী, ঢাকা শহরের বায়ুমান ১৬৯ স্কোর নিয়ে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (২৬ অক্টোবর) এ তথ্য প্রকাশিত হয়।
বিশ্বের বায়ুদূষণের শহরগুলোর মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি, যার বায়ুমান স্কোর ২০৩। এই স্কোর নাগরিকদের জন্য ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। দ্বিতীয় স্থানে পাকিস্তানের লাহোর ১৯৭ স্কোর নিয়ে, তৃতীয় স্থানে পাকিস্তানের করাচি ১৮৩ স্কোর নিয়ে এবং চতুর্থ স্থানে ভিয়েতনামের হ্যানয় ১৭২ স্কোর নিয়ে রয়েছে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা পঞ্চম স্থানে ১৬৯ স্কোর নিয়ে অবস্থান করছে।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ বলে ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে বায়ুর মান ‘মাঝারি বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ১০১ থেকে ১৫০ ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ বলে চিহ্নিত হয়। ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য হয় এবং ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। ৩০১-এর বেশি স্কোর হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত হয়।
বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে, যা হলো বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।
২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া এবং নির্মাণ সাইটের ধুলা।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের কারণে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বেড়েছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন