প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পেয়েও ১৪ হাজার ৩৮৪ জন শিক্ষক পাঁচ মাস ধরে অপেক্ষায় রয়েছেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দ্রুত নিয়োগ পরীক্ষা পরিচালনা করা হয়েছিল এবং এর ফলে কিছু অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। নতুন সরকার বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন ধাপে যাচাই করেছে। অবশেষে এই শিক্ষকদের যোগদান এবং পদায়নের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
রোববার (২৮ জুন) অনুষ্ঠিত সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন এই সহকারী শিক্ষকদের বদলি ও পদায়নের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন।
২৪ জুন দেওয়া একটি চিঠির মাধ্যমে এই সভার আয়োজন করা হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নবনিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের পদায়ন, এবং কর্মরত সব শিক্ষকের বদলি-সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে জাতীয় কমিটির সভা আগামী ২৮ জুন বিকেল ৩টায় তার অফিসকক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সকল সংশ্লিষ্টদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এর আগে, গত ২২ জুন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকদের বদলি সংক্রান্ত কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও পর্যালোচনা করার জন্য একটি কমিটি গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এটি সেই কমিটির প্রথম সভা।
নতুন একটি কমিটির তথ্য জানিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন, এখানে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা চলবে। তবে একই দিনে যে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে, তা বলা সম্ভব নয়।
৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য লিখিত পরীক্ষা (এমসিকিউ টাইপ) নেওয়া হয়েছিল। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হন। মৌখিক পরীক্ষার পর ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। চূড়ান্তভাবে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য নির্বাচিত করা হয়।
যদিও লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, তবুও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা এখনও যোগদান করতে পারেননি। এই অবস্থার কারণে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। এ বিষয় নিয়ে গত এপ্রিলের শেষ দিকে তারা আন্দোলনও করেন। পরে শিক্ষামন্ত্রী তাদের প্রশিক্ষণের পর নিয়োগের বিষয়ে আশ্বাস দেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন