প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইসরাইলের বিরুদ্ধে পরিচালিত ‘অপারেশন আল-আকসা স্টর্ম’ তেল আবিবের কল্পনারও বাইরে ছিল বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান স্টাফ মেজর জেনারেল আবদোল্লাহি। তিনি উল্লেখ করেন, এই অভিযান প্রতিরোধ অক্ষের শত্রুদের হিসাব-নিকাশ সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে এবং ফিলিস্তিনি প্রতিরোধকে নতুন মাত্রায় নিয়ে এসেছে। খবরটি প্রকাশ করেছে মেহের নিউজ এজেন্সি।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ‘অপারেশন আল-আকসা স্টর্ম’-এর তৃতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
বার্তায় আবদোল্লাহি বলেন, ‘আল-আকসা স্টর্ম’ ইসরাইলি শাসনের প্রত্যাশা ও কল্পনাকে অতিক্রম করেছে। এই অভিযান প্রতিরোধ অক্ষের শত্রুদের পরিকল্পনায় একটি বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে এবং ইসরাইলের বিরুদ্ধে একটি গুরুতর আঘাত হেনেছে।
তিনি দাবি করেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের ঘটনাপ্রবাহ প্রতিরোধ অক্ষের কৌশলকে প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে আক্রমণাত্মক অবস্থানে নিয়ে গেছে। এর মূল লক্ষ্য ছিল ফিলিস্তিনি জনগণ ও তাদের ভূখণ্ডের বৈধ প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে, তিনি মন্তব্য করেন যে এই অভিযান ইসরাইলের পতনের গতি আরও ত্বরান্বিত করেছে।
ইরানের এই সামরিক কর্মকর্তা বলেন, ইসলামী উম্মাহর শত্রুদের, বিশেষ করে ইসরাইলকে বুঝতে হবে যে প্রতিরোধ অক্ষের নিহত নেতাদের উত্তরাধিকার ও আদর্শ অব্যাহত থাকবে। তিনি সাবেক কুদস ফোর্স প্রধান কাসেম সোলাইমানি, হিজবুল্লাহর সাবেক মহাসচিব হাসান নাসরাল্লাহ, হামাসের সাবেক রাজনৈতিক প্রধান ইসমাইল হানিয়া এবং ইয়াহইয়া সিনওয়ারের নাম উল্লেখ করেন।
আবদোল্লাহির ভাষ্য অনুযায়ী, এসব নেতার আদর্শ ও সংগ্রামের ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং তা শেষ পর্যন্ত ইসরাইলি দখলদারিত্বের অবসানে ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, ফিলিস্তিন ইস্যু এবং প্রতিরোধ অক্ষের প্রতি সমর্থন অব্যাহত থাকবে। তার দাবি, আল-কুদস (জেরুজালেম) ‘মুক্ত’ না হওয়া পর্যন্ত ইরান এই অবস্থান থেকে সরে আসবে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন