প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ১৫ বছরের কমবয়সী ও দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তদের হজে না যেতে নির্দেশনা জারি করেছে। আজ রবিবার (২৬ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৭ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। চলতি বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই নিবন্ধন কার্যক্রম চলবে। এই সময়সীমার মধ্যে হজে যাওয়ার আগ্রহী ব্যক্তিদের প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।
সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ঘোষিত হজ কার্যক্রমের রোডম্যাপ অনুযায়ী ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই সময়সূচি ঘোষণা করেছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, সাড়ে তিন লাখ টাকা জমা দিয়ে সরকারি ও বেসরকারি যেকোনো মাধ্যমে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন করা যাবে। যাঁরা প্রাথমিক নিবন্ধন করেছেন, তাঁরা চলতি বছরের ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্যাকেজ মূল্যের বাকি টাকা পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।
প্রাথমিক নিবন্ধনের পূর্বে হজযাত্রীদের আবশ্যিকভাবে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে প্রাক-নিবন্ধন করতে হবে, বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। সরকারি মাধ্যমে ই-হজ সিস্টেমে (hajj.gov.bd) ইউজার তৈরি করে যেকেউ নিজেই নিবন্ধন করতে পারবেন।
এ ছাড়া ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, জেলা ও উপজেলা মডেল মসজিদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম অফিস ও ঢাকা হজ অফিসে হজের নিবন্ধন করা যাবে।
সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তিদের সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় ভাউচারের মাধ্যমে টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন করতে হবে। তবে, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের হজ কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে এজেন্সির নির্ধারিত হিসাবে টাকা জমা দিতে হবে। এজেন্সির ব্যাংক হিসাবের তথ্য হজ পোর্টালে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির প্রোফাইলে পাওয়া যাবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৫ বছরের কম বয়সী কেউ হজে যেতে পারবে না।
এ ছাড়া দুরারোগ্য ব্যাধি যেমন—হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, লিভার বা কিডনি রোগ, স্নায়ুবিক বা মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত ও ডিমেনশিয়া রোগী, কেমোথেরাপি বা বায়োলজিক্যাল থেরাপি বা রেডিওথেরাপি নিচ্ছেন—এমন ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী হজে যেতে পারবেন না।
এ ছাড়া জনস্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে এমন সক্রিয় সংক্রামক রোগ যেমন—যক্ষ্মা ও হেমোরেজিক ফিভারে আক্রান্ত ব্যক্তি হজে যেতে পারবেন না। গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাস ও ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় কোনো মহিলা হজযাত্রী ফিটনেস সনদ পাবেন না।
প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় হজযাত্রীদেরকে আবশ্যিকভাবে প্রশিক্ষণ ও টিকা গ্রহণের জেলা, হজের ধরন ও হজ প্যাকেজ নির্বাচন করতে হবে। এ ছাড়া ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ সম্বলিত পাসপোর্ট প্রয়োজন হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন