প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ট্রাম্প প্রশাসন অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্টের (ওবামাকেয়ার) স্বাস্থ্যবিমা বাজার থেকে ৭ লাখ ৫০ হাজারের বেশি নিবন্ধিত ব্যক্তিকে বাদ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। এই ঘোষণা তিনি গত মঙ্গলবার প্রদান করেন। ভ্যান্সের দাবি, বাদ পড়া ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকেই এমন প্রিমিয়াম ভর্তুকি গ্রহণ করছিলেন, যা পাওয়ার জন্য তারা আসলে যোগ্য ছিলেন না। এমনকি তাদের মধ্যে কিছু ব্যক্তি বাস্তবে অস্তিত্বহীন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
ভ্যান্স সংবাদ সম্মেলনে বলেন, যারা ওবামাকেয়ারের ভর্তুকি পাচ্ছেন, তাদের প্রকৃতপক্ষে সেই সুবিধা পাওয়ার যোগ্যতা যাচাই করা হচ্ছে। তিনি স্বাস্থ্যবিমা আইনটির প্রচলিত আরেক নাম উল্লেখ করে এ কথা বলেন। ভ্যান্সের হিসাব অনুযায়ী, লক্ষ্যবস্তু করা এসব নিবন্ধন বাতিলের ফলে সরকারের প্রায় ২২০ কোটি ডলার সাশ্রয় হবে।
এটি ট্রাম্প প্রশাসনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বাধীন জালিয়াতি দমন টাস্কফোর্সের সর্বশেষ উদ্যোগ। সাম্প্রতিক সময়ে এই টাস্কফোর্সের কার্যক্রমের একটি বড় অংশ কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির ওপর কেন্দ্রিত হয়েছে।
গত কয়েক মাসে টাস্কফোর্সটি মিনেসোটা ও ক্যালিফোর্নিয়াকে দেওয়া কয়েক বিলিয়ন ডলারের মেডিকেইড তহবিল আটকে রাখার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রেখেছে। তাদের দাবি, এসব অঙ্গরাজ্য স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচিতে জালিয়াতি প্রতিরোধে যথেষ্ট কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।
এদিকে, স্বাস্থ্যবিমা পরিকল্পনার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে চলতি বছর ওবামাকেয়ারে নতুন নিবন্ধনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে বিষয়টি রিপাবলিকানদের জন্য রাজনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কারণ আসন্ন নির্বাচনে ভোটারদের মধ্যে জীবনযাত্রার ব্যয় ও স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন পণ্যের ক্রমবর্ধমান মূল্য নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।
মঙ্গলবার ট্রাম্প প্রশাসনের এই ঘোষণার তীব্র সমালোচনা করেছে কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাটরা। তাদের অভিযোগ, এটি অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট—যা ওবামাকেয়ার নামে পরিচিত—ধীরে ধীরে ভেঙে দেওয়ার একটি অযৌক্তিক পদক্ষেপ।
ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি ন্যান্সি পেলোসি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, “জালিয়াতি দমনের মিথ্যা অজুহাত দেখিয়ে আমেরিকানদের স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করা যেমন নিষ্ঠুর, তেমনি নিন্দনীয়।” সূত্র: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন