প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মরক্কো সীমান্ত অতিক্রম করে স্পেনের উত্তর আফ্রিকান ছিটমহল সেউতায় প্রবেশের চেষ্টা করার সময় যে অভিবাসী সংকট সৃষ্টি হয়েছে, সেখানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৪১ জনে পৌঁছেছে। এই তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় আঞ্চলিক প্রেসিডেন্ট হুয়ান হেসুস ভিভাস। তবে, নিহতদের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।
গত ২৪ ঘণ্টায় স্থল ও জলপথ ব্যবহার করে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ মরক্কো থেকে সেউতায় প্রবেশ করছেন। তাদের মধ্যে অনেকে সমুদ্রপথে সাঁতরে পানির ওপর নির্মিত সীমান্ত প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে স্পেনের এই ভূখণ্ডে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ শুক্রবার সেউতা সফর করেন। তিনি এই ঘটনাটিকে স্পেনের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সক্ষমতা কাজে লাগানো হচ্ছে।
স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নতুন করে প্রবেশকারীদের দ্রুত মরক্কোয় ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শুধুমাত্র শুক্রবারে প্রায় ২৫ হাজার অভিবাসীকে সেউতা থেকে মরক্কোয় ফেরত পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, সেউতার সিভিল গার্ড কর্মকর্তাদের একটি স্থানীয় সংগঠনের নেতা রাচিত সবিহি বর্তমান পরিস্থিতিকে গুরুতর মানবিক সংকট হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, হাজার হাজার অভিবাসী, বিশেষ করে অভিভাবকহীন শিশুরা খোলা আকাশের নিচে ফুটপাতে রাত কাটাতে বাধ্য হচ্ছে। অনেকেই শহরের বিভিন্ন সড়কে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
সবিহি আরও জানান, নিহতদের মধ্যে অনেকেই সমুদ্রে ডুবে প্রাণ হারিয়েছেন। এর সাথে পাশাপাশি, মরক্কো সীমান্তসংলগ্ন তারাজাল সৈকতের ব্রেকওয়াটার অতিক্রমের সময় পদদলিত হয়ে আরও কয়েকজনের মৃত্যু ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সীমান্ত এলাকায় মরক্কোর নিরাপত্তা বাহিনী জলকামান ব্যবহার করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন