প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের একটি বিশেষ অভিযানে ৩৫১ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৩২ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এবং অপরাধে সরাসরি সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় ২১৯ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকের জিম্মায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে জেলার ১৮টি থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে জেলা পুলিশ কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আটকদের মধ্যে চিহ্নিত মাদক কারবারি ও ছিনতাইকারীও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৩৬ দিনে পুলিশ পাঁচ হাজার ২৪৬ জনকে আটক করেছে। এর মধ্যে মুচলেকায় তিন হাজার ১৫১ জনকে অভিভাবকের জিম্মায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে, এবং বাকি দুই হাজার ৯৫ জনকে নিয়মিত মামলা ও বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান জানান, ‘কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশনায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত কুমিল্লা জেলার মাদক কারবারি, কিশোর গ্যাং, ছিনতাইবিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ১৮টি থানায় জেলা পুলিশের সকল ইউনিট এবং ডিবি পুলিশ একযোগে অভিযান পরিচালনা করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই অভিযানে কুমিল্লা মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে এবং প্রত্যেকটি থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে, যেখানে কিশোর বয়সী বখাটেদের উৎপাত রয়েছে, সেসব স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পুলিশের সব ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই অভিযানে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। ৩৫১ জনকে আটক করা হয়েছে, তাদের অপরাধের সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করে ১৩২ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং ২১৯ জনকে মুচলেকায় জিম্মায় প্রদান করা হয়েছে।’
উঠতি বয়সের কিশোররা যেন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে না পারে, সে জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়মিতভাবে এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি জানান, ‘কোনো নিরপরাধ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়, এ বিষয়ে কঠোর মনিটরিং করা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ রোধ করতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন