প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশি ক্যানসার রোগীদের উন্নত চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য চীনের গুয়াংজু মডার্ন ক্যানসার হাসপাতাল দাবি করেছে যে, তারা সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের তুলনায় কম খরচে এই সেবা প্রদান করবে। হাসপাতালটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে গড়ে প্রতি মাসে অন্তত ৩০ জন বাংলাদেশি রোগী সেখানে চিকিৎসা নিতে যাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশ-চায়না আপন মিডিয়া ক্লাব এবং বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএইচআরএফ) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় হাসপাতালটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আন্তর্জাতিক বিভাগের পরিচালক হি ল্যাংবিং এ তথ্য জানিয়েছেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালটির অনকোলজি বিশেষজ্ঞ উ উই এবং বিএইচআরএফের সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদ শুভ। হি ল্যাংবিং বলেন, বিদেশি রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রে গুয়াংজু মডার্ন ক্যানসার হাসপাতালের রয়েছে দুই দশকের অভিজ্ঞতা। হাসপাতালটি আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা জেসিআইয়ের সনদপ্রাপ্ত। এখানে আধুনিক ও ন্যূনতম আক্রমণাত্মক চিকিৎসাপদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ফুসফুস ও স্তন ক্যানসারের চিকিৎসার পাশাপাশি ভবিষ্যতে লিভার ও অগ্ন্যাশয়ের রোগের জন্য পৃথক বিভাগ চালুর পরিকল্পনাও হাসপাতালটির রয়েছে।
তিনি জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১০৩টি দেশের রোগী হাসপাতালটির চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেছেন। ইতিমধ্যে লক্ষ্য করা গেছে যে, গত বছর থেকে বাংলাদেশি রোগীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। হি ল্যাংবিংয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতি মাসে প্রায় ৩০ জন বাংলাদেশি রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যান। চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের অনেকের জীবনমানের উন্নতি হয়েছে এবং কেউ কেউ ক্যানসারমুক্ত হয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন।
অনকোলজি বিশেষজ্ঞ উ উই বলেন, চিকিৎসার সময় রোগীদের শারীরিক অবস্থা যাতে আরও খারাপ না হয়, সে বিষয়ে হাসপাতালটি বিশেষ গুরুত্ব দেয়। কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমানোর জন্য উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন।
তিনি আরও জানান, ক্যানসারের উন্নত চিকিৎসার ক্ষেত্রে হাসপাতালের ব্যয় ভারতের তুলনায় কিছুটা বেশি হলেও সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের তুলনায় এটি উল্লেখযোগ্যভাবে কম। দীর্ঘদিন ধরে সুনাম ও আস্থার সঙ্গে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার কারণে বাংলাদেশের রোগীদের জন্য ঢাকায় একটি পরামর্শক কেন্দ্রও চালু করা হয়েছে। সেখানে চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পরামর্শ পাওয়া যাবে বলেও তিনি জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন