প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী খান্দুরা দরবার শরীফের পীর আলহাজ্ব সৈয়দ জিয়াউল কামাল (জাকারিয়া) সাহেব-এর নেতৃত্বে আসন্ন জশনে জুলুস ও পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উদযাপন এবং মহাসমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ১০টায় এজহারিয়া ইউনুসিয়া ইউসুফিয়া জাকারিয়া সুন্নিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সারা বাংলার আলোচিত ইসলামী বক্তা, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং দাওয়াতে ঈমানী বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মুফতি গিয়াস উদ্দিন আত-তাহেরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফান্দাউক দরবার শরীফের শাহজাদা সৈয়দ আবু বক্কর সিদ্দিক, গুনিয়ার দরবার শরীফের গদ্দীনশীন সৈয়দ আব্দুল আউয়াল বুলবুল চিশতী, সৈয়দ সাদী চিশতী এবং তরুণ ইসলামী বক্তা ক্বারী মিজানুর রহমান আজিজী।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর উপজেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের নেতৃবৃন্দ, পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক ছোট্ট মিয়া, ছাত্রসেনা, যুবসেনা, বিভিন্ন দরবার শরীফের আশেকান-ভক্তবৃন্দ এবং এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।
সভায় বক্তারা বলেন, "সবার আগে ঈমান, সবার আগে নবী (সা.)।" তারা বলেন, মহান আল্লাহ তাআলা মানবজাতির হেদায়াতের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে প্রেরণ করেছেন। তাঁর শুভ আগমন সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য রহমত ও অনুগ্রহ। তাই ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আনন্দ প্রকাশ, তাঁর আদর্শ অনুসরণ এবং জশনে জুলুসে অংশগ্রহণ ঈমানি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।
বক্তারা আরও বলেন, "যেখানে নবীর ভালোবাসা, সেখানেই ঈমানের পূর্ণতা।" তারা ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর শিক্ষা আত্মশুদ্ধি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ইসলামের আদর্শ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে উল্লেখ করে আগামী জশনে জুলুসে সর্বস্তরের ঈমানদার জনতাকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
সভা শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং জশনে জুলুস ও পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) সফলভাবে উদযাপনের জন্য বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন