প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) পূর্বাভাস দিয়েছে যে, ২০২৭ সালের মধ্যে ভারত জাপানকে ছাড়িয়ে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
আইএমএফ জানিয়েছে, চলতি বছরে জাপান নামমাত্র মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) দিক থেকে চতুর্থ বৃহত্তম দেশ হিসেবে থাকবে। তবে ২০২৭ সালে ভারত ৪.৫২ ট্রিলিয়ন ডলারের জিডিপি নিয়ে জাপানের স্থান দখল করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৭ সালে ভারত ও যুক্তরাজ্য উভয়ের পেছনে পড়ে ষষ্ঠ স্থানে চলে যাবে জাপান।
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও ভারত সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি প্রদর্শন করেছে। এই সপ্তাহে আইএমএফ ২০২৬ সালের জন্য ভারতের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.০ শতাংশে উন্নীত করেছে।
অন্যদিকে, জাপান ক্রমবর্ধমান বয়স্ক জনসংখ্যা এবং অন্যান্য কাঠামোগত সমস্যায় ভুগছে, যার ফলে এই এশীয় পরাশক্তির প্রবৃদ্ধি স্থবির হয়ে পড়েছে।
আইএমএফ-এর এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন মন্তব্য করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বর্তমান জ্বালানি সংকটে ভারত একটি শক্তিশালী অবস্থান থেকে মোকাবেলা করেছে।
তিনি বলেন, চলতি বছর ভারতের অর্থনীতির মৌলিক ভিত্তিগুলো যথেষ্ট মজবুত ছিল। তাদের প্রবৃদ্ধি শক্তিশালী। রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিচক্ষণতার পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ করেছে। ফলে চলমান ধাক্কা তারা ভালোভাবে সামাল দিতে পেরেছে।
জাপানে প্রবৃদ্ধি ২০২৬ সালে কমে ০.৭ শতাংশে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও ব্যাপক মুদ্রাস্ফীতির কারণে দেশটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে ব্যাংক অফ জাপান সুদের হার গত তিন দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত করেছে।
দীর্ঘদিন ধরে মুদ্রা সংকোচনের সমস্যায় জর্জরিত জাপানে ২০২২ সালের বসন্তকাল থেকে ভোক্তাপণ্যের দামে ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে এবং ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের আকাশছোঁয়া দাম এই বৃদ্ধিকে আরো ত্বরান্বিত করেছে।
গ্রীষ্মকালে ডলারের বিপরীতে জাপানি ইয়েনের দর ৪০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসায় আমদানির খরচ আরো বেড়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে দেশটির ক্রমবর্ধমান বয়স্ক জনসংখ্যাও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন