এস এম সাহান ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
০৬:৫২ পি.এম
ফুলের সুবাস এবং শুভকামনার উষ্ণতায় যেন অন্যরকমভাবে প্রাণ ফিরে পেয়েছিল আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণ। নতুন দিনের স্বপ্ন এবং প্রত্যাশাকে সঙ্গে নিয়ে দীর্ঘ শিক্ষকতা ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ নতুন অধ্যক্ষ মো. আলমগীর হাসান অফিসে যোগদান করেন।
রোববার (১০ আগস্ট) আনুষ্ঠানিকভাবে কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা তাকে বরণ করে নেন।
নতুন অধ্যক্ষের আগমনে কলেজজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। সহকর্মীদের আন্তরিকতা এবং শুভেচ্ছায় দায়িত্ব গ্রহণের মুহূর্তটি হয়ে ওঠে স্মরণীয়। যেন অভিজ্ঞতার দীর্ঘ পথ পেরিয়ে নতুন এক ঠিকানায় গোপন শুরু হলো আরেকটি নতুন যাত্রা।
মো. আলমগীর হাসান ১৮তম বিসিএসের কর্মকর্তা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। প্রায় তিন দশকের শিক্ষকতা জীবনে তিনি সরকারি এবং বেসরকারি বিভিন্ন কলেজে দায়িত্ব পালন করেছেন। যোগদানের আগে তিনি ফরিদপুর সরকারি কলেজে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়ে গত ৬ আগস্ট তিনি ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের মহাপরিচালকের কার্যালয়ে যোগদান করেন। পরে তাকে আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রভাষক প্রবীর কুমার বিশ্বাস বলেন, নতুন অধ্যক্ষের দীর্ঘ শিক্ষকতা এবং প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাঁর দক্ষ নেতৃত্বে আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। কলেজের সার্বিক উন্নয়নে শিক্ষক পরিষদ তার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে।
দায়িত্ব গ্রহণের পর অধ্যক্ষ মো. আলমগীর হাসান বলেন, আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজের শিক্ষার মান আরও উন্নত করা, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদানে উৎসাহিত করা এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় কলেজকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই হবে তার প্রধান লক্ষ্য। তিনি বলেন, সবার সহযোগিতা নিয়ে একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল এবং শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে চান।
দায়িত্ব গ্রহণের মুহূর্তে ফুলের শুভেচ্ছার আড়ালে ছিল অনেক প্রত্যাশা এবং অনেক স্বপ্ন। শিক্ষক-কর্মচারীদের চোখে ছিল নতুন নেতৃত্বকে ঘিরে আশার আলো। তাদের প্রত্যাশা হল, অভিজ্ঞতার পরিপক্বতা এবং নতুন উদ্যমের সমন্বয়ে কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম আরও সমৃদ্ধ হবে।
সংশ্লিষ্টদের আশা, অভিজ্ঞতার আলো এবং নতুন দিনের উদ্যমকে সঙ্গে নিয়ে অধ্যক্ষ মো. আলমগীর হাসানের নেতৃত্বে আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজ আরও দূরে এগিয়ে যাবে। শিক্ষার মানোন্নয়ন, শৃঙ্খলা এবং শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণের একটি শক্তিশালী ক্ষেত্র হয়ে উঠবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের কারণে সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দেশীয় অস্ত্রসহ ১৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের খামার আন্ধারীঝাড় কানিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শহিদুল ইসলাম (৩০) ওই এলাকার আব্দুল শেখের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল শেখ ও শুক্কুর আলীর মধ্যে প্রায় ৮ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। বিষয়টি নিয়ে এর আগে কয়েক দফা স্থানীয়ভাবে সালিশ এবং ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে শুনানি হয়। তবে সুরাহা হয়নি।
স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবারের অভিযোগ রয়েছে, সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে শুক্কুর আলীসহ কয়েকজন ওই জমিতে হালচাষ করে রোপা আমন রোপণের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় আব্দুল শেখের ছেলে শহিদুল ইসলাম ও তার স্বজনরা সেখানে গিয়ে বাধা দেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
একপর্যায়ে শহিদুল ইসলামকে মাছ ধরার কোঁচ দিয়ে আঘাত করা হলে তিনি মাটিতে পড়ে যান। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ১৭ জনকে আটক করে।
ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সংঘর্ষে জড়িত উভয় পক্ষের ১৭ জনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় সংঘর্ষে ব্যবহৃত লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নিহতের পরিবারের কাছ থেকে অভিযোগ পেলে আসামির সঠিক সংখ্যা নির্ণয় করা সম্ভব হবে। স্থানীয় ব্যক্তিরা আমাদের জানিয়েছেন, আরও দু-তিনজন পলাতক রয়েছেন। তাদের ধরার চেষ্টা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোঃ খায়রুল আলম সুমনের বিরুদ্ধে ওঠা প্রশাসনিক অনিয়ম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগের তদন্তে নেমেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বরিশাল কালেক্টরেট স্কুল ও কলেজ প্রাঙ্গণে ‘বরিশাল শিল্প ও বাণিজ্য মেলা’ আয়োজনের অনুমোদনের বিষয়টি তদন্তের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে সামনে এসেছে।
অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে কেবল দাপ্তরিক কাগজপত্র পর্যালোচনা নয়, সরেজমিন অনুসন্ধানে নেমেছে তদন্ত কমিটি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গঠিত দুই সদস্যের তদন্ত দল সম্প্রতি বরিশালে অবস্থান করে বর্তমান জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং স্থানীয় সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন। সংশ্লিষ্ট একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তদন্তের প্রয়োজনে ভিডিও, লিখিত ও মৌখিক বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে।
৯ জুলাই গঠিত কমিটি ও ১৯ বিষয়ে নথি তলব
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে গত ৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন শৃঙ্খলা অধিশাখা থেকে এই কমিটি গঠন করা হয় (স্মারক নম্বর: ০৪.০০.০০০০.০০০.৫১১.২৭.০১০৯.১৭.৪২৫)। এতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব মো. মখলেছুর রহমানকে আহ্বায়ক এবং একই বিভাগের উপসচিব মিজ শারমিন ইয়াসমিনকে সদস্য করা হয়েছে। আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত নিশ্চিত করতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বরিশাল জেলা প্রশাসনের কাছে ১৯টি নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর বিস্তারিত নথি তলব করা হয়েছে।
বাণিজ্য মেলার অনুমতি ও বিতর্কিত সিদ্ধান্ত
তদন্তের একটি বড় অংশজুড়ে রয়েছে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কালেক্টরেট স্কুল মাঠে বাণিজ্য মেলার অনুমোদন প্রদান। এ সংক্রান্ত আবেদনপত্র, অনুমোদনপত্র, মেলা বন্ধে হাইকোর্ট বিভাগের আদেশ, জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনের সভার কার্যবিবরণী পর্যালোচনা করছে কমিটি।
নির্বাচনী বরাদ্দ ও দুর্গম কেন্দ্রের বাজেট
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে বরিশাল জেলায় বরাদ্দকৃত তহবিলের হিসাব চাওয়া হয়েছে। হিজলা, মুলাদী ও মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার দুর্গম ভোটকেন্দ্রের প্রস্তাবিত তালিকায় পরবর্তীতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়েছিল কি না এবং দুর্গম কেন্দ্র বাবদ অতিরিক্ত পাওয়া ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা খরচের খতিয়ানও খতিয়ে দেখছে কমিটি।
দুর্গাসাগর দীঘি ও অন্যান্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়া
দুর্গাসাগর দীঘির সংস্কার কাজ, সেখানে কর্মরত ২২ জন কর্মচারীর আউটসোর্সিং নিয়োগপ্রক্রিয়া, বেতন কাঠামো এবং ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নীতিমালার ফাইল চেয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এছাড়া জেলা প্রশাসনের ফ্রন্ট ডেস্ক স্থানান্তর এবং আওতাধীন ৮৩টি শূন্যপদে নিয়োগ কার্যক্রম দীর্ঘায়িত করার পেছনে কোনো অনিয়ম রয়েছে কি না—তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রশাসনে তোলপাড়
একসঙ্গে এতগুলো গুরুতর প্রশাসনিক বিষয় ও আর্থিক বরাদ্দের নথিপত্র তলব করায় বরিশাল মাঠ প্রশাসনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে তদন্ত চলাকালীন এ বিষয়ে জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমের কাছে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হননি।
তদন্ত কমিটির সংগ্রহ করা নথি, ভিডিও ও মৌখিক বয়ানের ভিত্তিতে তৈরি চূড়ান্ত প্রতিবেদনেই স্পষ্ট হবে সাবেক জেলা প্রশাসকের প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে কোনো ক্ষমতার অপব্যবহার বা বিধি বহির্ভূত কাজ হয়েছিল কি না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল, ১০ আগস্ট: বরিশাল সফরের দ্বিতীয় দিনে, কূটনৈতিক ব্যস্ততা ও আনুষ্ঠানিকতার বাইরে বাদ দিয়ে, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশের গ্রামীণ আবহ এবং বাঙালি আতিথেয়তায় ব্যতিক্রমীভাবে আপ্লুত হয়ে ওঠেন।
আজ (সোমবার) দুপুরে, তিনি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সরিকল গ্রামে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের পৈতৃক বাসভবনে একটি মধ্যাহ্নভোজে অংশগ্রহণ করেন।
এই সময়, কূটনৈতিক প্রটোকলের বাইরে গিয়ে, তিনি বরিশালের স্থানীয় ঐতিহ্য, প্রাকৃতিক রূপ এবং বৈচিত্র্যময় খাবার উপভোগ করেন।
তথ্যমন্ত্রীর বাসভবনে পৌঁছালে, মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে আন্তরিক অভিবাদন জানানো হয়। এরপর, ক্রিস্টেনসেন বাড়ির আঙিনায় একটি গাছের চারা রোপণ করার আয়োজন করা হয়।
দুপুরের এই আয়োজনে, মার্কিন অতিথির সামনে নদীমাতৃক বরিশালের ঐতিহ্যবাহী এবং বৈচিত্র্যময় দেশীয় খাবার পরিবেশন করা হয়। এর মধ্যে ছিল তাজা ইলিশ ভাজা, আইড়সহ নানা পদের মাছের ব্যঞ্জন, এবং গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন ধরনের ভর্তা ও ভাজি। এসব পদে চিরায়ত বাঙালি আতিথেয়তার স্বাদে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
মধ্যাহ্নভোজের শেষ ভাগে পরিবেশন করা হয় স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন। বিশেষ করে গৌরনদীর বিখ্যাত ‘শচীন ঘোষের রসমালাই’ এবং বিশেষ দধির চমৎকার স্বাদে তিনি অভিভূত হয়ে পড়েন।
এছাড়া, সাধারণ মানুষের উষ্ণ আতিথেয়তা, স্থানীয় খাবারের সুনিপুণ পরিবেশন এবং ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির স্বাদ—সব মিলিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বরিশাল সফরের দ্বিতীয় দিনটি বিভিন্ন দিক থেকে ভিন্নধর্মী এবং স্মরণীয় সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা এবং সৌজন্যমূলক বিনিময়ের একটি দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুর শহরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং ফুটপাত দখলমুক্ত করার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার বিকেল ৩টা থেকে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ফরিদপুর পৌরসভা।
অভিযান চলাকালে জনতা ব্যাংকের মোড়, নিউমার্কেটের সামনে, চকবাজার, থানা রোড, মহাকালী পাঠশালার মোড়, বলাকা সুপার মার্কেটের সামনে, ময়রা পট্টিসহ আশপাশের এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
ফরিদপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জাকিরের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে পৌরসভার কর্মকর্তারা ও কর্মচারীরা অংশ নেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলুর রহমান, কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, পৌরসভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা সৈয়দ মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান, সহকারী প্রকৌশলী (পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন) সৈয়দ মোহাম্মদ আশরাফ, উপসহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. শরিফুল ইসলাম, উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) লাইজিং হোসেন রাজু এবং সহকারী প্রকৌশলী আশিকুর রহমান।
অভিযানের সময় ফুটপাত ও সড়কের জায়গা দখল করে নির্মিত বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে দেওয়া হয়। এতে পথচারীদের চলাচলের পথ উন্মুক্ত হওয়ার পাশাপাশি সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানোর উদ্যোগও জোরদার হয়েছে, বলে জানিয়েছে পৌরসভা।
পৌরসভা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শহরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে। এক্ষেত্রে ফুটপাত ও সড়কের জায়গা দখল করে নতুন করে কোনো স্থাপনা নির্মাণ না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হবে।
পৌরসভার এ উদ্যোগকে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, যদি অভিযান অব্যাহত থাকে, তবে তা পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচলের পাশাপাশি শহরের যানজট কমাতেও ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ