প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইয়েমেনের হুথি যোদ্ধাদের ক্রমাগত আক্রমণের কারণে সৌদি আরব বর্তমানে একটি বড় সংকটে রয়েছে। সৌদি সমর্থিত বাহিনীগুলো যুদ্ধক্ষেত্রে একের পর এক এলাকা হারাতে বাধ্য হচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বিভিন্ন আঞ্চলিক দেশের পাশাপাশি ইসরাইলেরও পরোক্ষ সাহায্য চেয়েছেন, যা ইসরাইলি গণমাধ্যম ‘ইসরাইল হায়োম’ দ্বারা জানানো হয়েছে।
সৌদি আরব সরাসরি উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছে সাহায্য চাইলেও, মার্কিন সেন্টকমের মাধ্যমে ইসরাইলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। রিয়াদ, হুথিদের হাতে বাবেল মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ চলে না যায়, সেজন্য গোয়েন্দা তথ্য ও অন্যান্য সামরিক সহায়তা চেয়েছে।
যুবরাজ সালমান সতর্ক করে বলেছেন, এই প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে সৌদি তেল রপ্তানি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং এর ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।
ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠিত না হওয়া পর্যন্ত সৌদি আরব ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক না রাখার নীতিতে অটল ছিল। তাই ইসরাইলের সাহায্য চাওয়ার বিষয়টি একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সংকটময় পরিস্থিতি সৌদিকে ইসরাইলের কাছাকাছি নিয়ে আসতে পারে।
এদিকে, সৌদি যুবরাজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে সরাসরি হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে রাজি হয়নি, বরং শুধুমাত্র গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহায়তার কথা বলেছে। এর অংশ হিসেবে সেন্টকম প্রধান ব্র্যাড কুপার বর্তমানে সৌদি আরব সফর করছেন।
পাকিস্তান ও তুরস্ক মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করছে, কিন্তু যুদ্ধের মধ্যে জড়াতে চাচ্ছে না। অন্যদিকে, সুয়েজ খালের বাণিজ্যের কারণে মিসর সৌদির পাশে রয়েছে।
যুদ্ধক্ষেত্রে হুথিরা ইতোমধ্যে মোগা বন্দর ও বেশ কিছু দ্বীপের দখল নিয়েছে এবং সৌদি বাহিনীকে পিছু হটতে বাধ্য করেছে। তারা দক্ষিণ সৌদি আরবের তেল স্থাপনা ও বিমান ঘাঁটিতেও নিয়মিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে।
সূত্র: আল-মায়াদিন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন