প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের রাস্তার পাশে অবস্থিত বৃহৎ বৃক্ষ শুকিয়ে বিপদজনক অবস্থায় রয়েছে, যার ফলে পথচারী ও স্থানীয় জনগণ প্রাণ ভয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছে।
অশাশুনির মানিকখালী ব্রীজ থেকে শুরু করে বড়দল ব্যস্ততম সড়কে ফকরাবাদ গ্রামে রাস্তার একেবারে পাশে ৩০ বছরেরও অধিক সময় ধরে শিশু চটকা গাছটি বেড়ে উঠেছে। ফকরাবাদ শ্যামা মিস্ত্রীর মিলের মোড়ে জনসমাগম স্থানে বিনয় সরকারের কাঠগোলা, ধান, হলুদ ও তেলের মিল, বিল্লাল গাজীর চা স্টলসহ বেশ কয়েকটি দোকান রয়েছে। মসজিদ, স্কুল ও ঘন বসতিপূর্ণ এলাকায় এখানে প্রতিদিন বহু মানুষের সমাগম ঘটে। রাস্তার উপর দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য যানবাহন, ফকরাবাদ সরকারি প্রাইমারী স্কুলের ছাত্রছাত্রী, সাধারণ জনগণ এবং দূরদূরান্তের পথচারীরা চলাচল করে থাকে। গাছটির দুটি বড় শাখা রাস্তার উপর ছায়া ফেলেছিল। কিন্তু ৩ মাসেরও বেশি সময় ধরে শাখা দুটি সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেছে। মূল গাছটিও প্রায় মরণাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। শুকনো শাখা দুটি রাস্তার উপর এমন বিপদজনকভাবে ঝুঁকে রয়েছে যে, যে কোন সময় ভেঙে পড়লে জীবনহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটতে পারে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য প্রার্থী, স্কুলের পিটিএ সভাপতি, ইটভাটা ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক এস এম শরিফুল ইসলাম জানান, গাছটি রাস্তার উপর ঝুঁকে পড়েছে। শুকনো বড় আকৃতির ডাল দুটি যে কোন সময় ভেঙে পড়তে পারে। এর ফলে স্কুলের ছাত্রছাত্রী, পথচারী ও যানবাহনগুলো রীতিমত হুমকির মধ্যে রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে। জেলা পরিষদকে অবহিত করা হলেও কেন গাছটি কাটা হচ্ছে না, তা জানা যায়নি। এলাকাবাসীর দাবি, গাছটি কেটে ফেলা হোক, অথবা কোন প্রতিষ্ঠানে দান করে দিলে তারা তা কেটে নেবে।
আশাশুনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, গাছটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপদজনক। ঝড়-বৃষ্টি বা যে কোন সময় ভেঙে পড়ার শঙ্কায় পথচারী ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা ভয়ে ভয়ে রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে থাকে। তিনি দ্রুত গাছটি কেটে নেওয়ার জন্য জেলা পরিষদের কাছে দাবি জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন