প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চাঁদপুরে মোট আটটি উপজেলা রয়েছে, যেখানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১১৫৬টি। এর মধ্যে ৬৪২টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। ফলে বিদ্যালয়গুলো ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায়, এই বিদ্যালয়গুলো অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে।
প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদগুলোতে দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী শিক্ষকেরা। শিক্ষক সংকট দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকায়, বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনা করতে কর্তৃপক্ষকে অনেক কষ্ট করতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা হোক।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে আগামী তিন মাসের মধ্যে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদগুলো পূরণের সম্ভাবনা রয়েছে।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বলেছেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কারণে একজন সহকারী শিক্ষক বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজ এবং বিদ্যালয়ের সমস্যা নিয়ে এলাকার অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এই কারণে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা কার্যক্রমে মনোযোগ দিতে পারছেন না, ফলে তারা ভালো ফলাফল করতে পারছে না। এছাড়া এতে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি হচ্ছে। তাই তারা দাবি জানান, দ্রুত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হোক যেন শিক্ষা কার্যক্রমে গতি আনতে পারে।
প্রধান শিক্ষক না থাকায় শিক্ষাকার্যক্রম ব্যাহত হওয়া স্বীকার করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম জানান, প্রধান শিক্ষক থাকলে শিক্ষার মান আরও উন্নত হতো। যেহেতু আমি এই দায়িত্বে আছি, তাই আমার রুটিন ক্লাসগুলোতে যথাযথভাবে মনোনিবেশ করতে পারছি না। এর ফলে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা চাই, সরকার দ্রুত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ করে শিক্ষার মান উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করুক।
চাঁদপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ মোছাদ্দেক হোসেন বলেছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় প্রধান শিক্ষকদের গ্রেডেশান তালিকার কাজ চলছে। তবে আগামী তিন মাসের মধ্যে শূন্য পদগুলো পূরণের সম্ভাবনার তথ্য দিয়েছেন প্রাথমিকের শীর্ষ এই কর্মকর্তা। মামলা জনিত কারণে ১৬টি বিদ্যালয় সংরক্ষণে রয়েছে, তাই প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ মোট ৬২৯টি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন