প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন তাঁর বক্তব্যে ব্যবহৃত ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দের প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি নিজের কথার সংশোধনও করেছেন।
তিনি জানান, যে বক্তব্যটি সমালোচনার জন্ম দিয়েছে, সেখানে ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ বলতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
আজ শুক্রবার, তিনি তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে বলেন, "সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে দেওয়া আমার বক্তব্যে ব্যবহৃত একটি শব্দের সংশোধন ও বক্তব্যের প্রেক্ষাপট স্পষ্ট করতে চাই।" তিনি উল্লেখ করেন, সেদিনের অনুষ্ঠানে তৃতীয় লিঙ্গের একজন শিক্ষার্থী ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর এই অর্জনকে স্বাগত জানিয়ে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষায় অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার প্রসঙ্গে তিনি কথা বলেছিলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, "সমাজে তারা অনেকেই অবহেলা, বঞ্চনা ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মুখোমুখি হন।" এসব বাধা অতিক্রম করে তাদের শিক্ষায় এগিয়ে আসার বিষয়টিই ছিল তাঁর বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য।
শিক্ষামন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে শব্দ সংশোধন করে বলেন, "বক্তব্যের সময় ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ বলতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দটি ব্যবহার করেছি। এখানে আমার অভিপ্রেত শব্দ ছিল ‘তৃতীয় লিঙ্গ’।"
ফেসবুক পোস্টের শেষে তিনি উল্লেখ করেন, "দেশের মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও অনুভূতির প্রতি আমার শ্রদ্ধা রয়েছে।" সেদিনের বক্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের শিক্ষার সুযোগ এবং তাদের শিক্ষাগত অর্জনকে উৎসাহিত করা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন