প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘটে যাওয়া ১৩ দিনের (গত ২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত) মধ্যে দেশে বিভিন্ন দুর্ঘটনার ফলে মোট ৩০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এই সময়কালেই মোট ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২৮১ জন মানুষ। নিহতদের মধ্যে নারী ছিলেন ৩৪ এবং শিশু ৪৮ জন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ৮৩৭ জন।
একই সময়ে ১৩টি নৌপথ দুর্ঘটনায় আটজন নিহত এবং ১৫ জন আহত হয়েছেন। কোরবানির সময়ে মারা গেছে ২৪টি গরুও। তাছাড়া, ২২টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের দুর্ঘটনা প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশন দেশের ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ইলেকট্রনিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ এবং নিজেদের তথ্য ব্যবহার করে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে। প্রতিবেদনটি বৃহস্পতিবার (৪ জুন) প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঈদযাত্রার ১৩ দিনে দেশজুড়ে মোট ১৪১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১২৪ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ৪৪ দশমিক ১২ শতাংশ। ১৩টি নৌপথ দুর্ঘটনায় আটজন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। রেলপথে ২২টি দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, মোটরসাইকেলচালক ও আরোহী ১২৪ জন, বাসযাত্রী ২১, ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান-পিকআপ-ট্রলির আরোহী ৩২ এবং প্রাইভেট কার-অ্যাম্বুলেন্সের আরোহী ১১ জন। এছাড়াও, থ্রি-হুইলারের (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান) ৪৮ যাত্রী ও স্থানীয়ভাবে তৈরি করা যানবাহনের (নছিমন-ভটভটি-মাহিন্দ্র) আট যাত্রী নিহত হয়েছেন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ অনুসারে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ৯৭টি জাতীয় মহাসড়কে, ১১২টি আঞ্চলিক সড়কে, ৪২টি গ্রামীণ সড়কে, ৩৭টি শহরের সড়কে এবং চারটি অন্যান্য স্থানে সংঘটিত হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন