প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা থেকে এই হামলার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন বিমান বাহিনী আবার ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করেছে, যা সৌদি আরবের দুটি ট্যাংকার জাহাজে হামলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘটেছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা থেকে এই হামলার কার্যক্রম শুরু হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই হামলার বিষয়ে নিজেই নিশ্চিত করেছেন। তিনি মঙ্গলবার তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, আজ (মঙ্গলবার) পূর্বাঞ্চলীয় সময় দুপুর ১২টা (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) থেকে মার্কিন বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা শুরু করেছে। সম্প্রতি আইআরজিসি হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ এবং মধ্যপ্রাচ্যে হামলা চালিয়েছে, যার প্রতিক্রিয়া হিসেবে এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
উল্লেখযোগ্য যে, সোমবার (৩১ আগস্ট) গভীর রাতে হরমুজ প্রণালিতে সৌদির দুটি তেলবাহী সুপারট্যাংকার জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। ট্যাংকার দু’টিতে ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ছিল।
এর আগে রোববার, জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বিমানবাহিনী লক্ষ্য করে আইআরজিসি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল। তবে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম সক্রিয় থাকার কারণে আইআরজিসির ক্ষেপণাস্ত্রগুলো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারেনি।
এছাড়া, শনিবার রাতে হরমুজ প্রণালির লারাক দ্বীপে মার্কিন বিমান বাহিনী কর্তৃক আইআরজিসির কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র লাঞ্চার স্থাপনা ধ্বংসের পর জর্ডানে আইআরজিসি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল।
শনিবারের ওই হামলার মাধ্যমে দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আবার সামরিক সংঘাত শুরু হলো। তবে সোমবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে এবার ‘সীমিত মাত্রার’ সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে যুক্তরাষ্ট্র।
সোমবার ওভাল অফিসে ট্রাম্প বলেন, তারা নৌবাহিনী হারিয়েছে, বিমান বাহিনী হারিয়েছে। তাদের নজরদারি উপাদানও প্রায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে তার মানে এই নয় যে আমরা তাদের আঘাত করব না। তবে এবার আমাদের পদক্ষেপ হবে খুবই সীমিত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন