প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও সম্পর্কে নতুন ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন তিনি। ভিডিওতে থাকা নারীকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে দাবি করে গাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন, এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র এবং চরিত্রহননের উদ্দেশ্যে চেষ্টা।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দেওয়া এক বিবৃতিতে গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, ২০২৩ সালের ১৩ ডিসেম্বর তিনি তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী মারিয়াম বেগম এবং মারিয়ামের মামা ওবায়দুল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকার মগবাজারে একটি ব্যবসায়িক অফিসে গিয়েছিলেন। সেখানে অবস্থানের সময় কয়েকজন ব্যক্তি তাদের কক্ষে ঢুকে কৈফিয়ত তলব করেন এবং পরে তাদের ব্যাগ ও পকেট তল্লাশি করে এক লাখ টাকা আদায় করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তার মতে, ঘটনার সময় তার গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ দীর্ঘ সময় নিখোঁজ ছিলেন। পরে রাতে ওই চালক তার কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মাছুম বিল্লাহর কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। অন্যথায় গাড়ি ফেরত দেওয়া হবে না বলে চাপ দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বিবৃতিতে এমপি আরও দাবি করেন, চালক ওবায়দুল্লাহ ও তার দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার মধ্যে পূর্ব থেকেই পারিবারিক বিরোধ বিদ্যমান ছিল। সেই বিরোধের কারণে চালক পরিকল্পিতভাবে তাকে ফাঁসাতে চেয়েছেন। পরবর্তীতে মাছুম বিল্লাহ পুলিশের সহায়তায় গাড়ি উদ্ধার করেন এবং এ ঘটনায় চালক ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিশোধের হুমকি দেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
গাজী নজরুল ইসলামের অভিযোগ, ওই চালক আগে থেকেই অফিস কক্ষে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, এটি সম্পূর্ণ বেআইনি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তার ও তার পরিবারের চরিত্রহননের অপচেষ্টা।
এই ঘটনার প্রধানত গাজী নজরুল ইসলাম একটি সুপরিকল্পিত চক্রান্ত হিসেবে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এর আগে সোমবার (২০ জুলাই) রাতে গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এক নারীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছিল। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।
তবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া তার সর্বশেষ নির্বাচনী হলফনামায়, তার স্ত্রীর সংখ্যা একজন হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। এ বিষয়ে এখনও নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন