প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেসের (পিআইএমএস) ম্যাটারনিটি ইউনিটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কারণে ১৪ নবজাতক শিশু প্রাণ হারিয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, আগুন লাগার সময় নবজাতকদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (এনআইসিইউ) প্রধান দরজাটি তালাবদ্ধ ছিল, যা উদ্ধার কার্যক্রমে গুরুতর প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরের ঠিক পরেই পিআইএমএসের প্রসূতি ওয়ার্ডে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। সন্তান হারানো মা জাওয়েরিয়া এবং অন্যান্য রোগীর আত্মীয়রা জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দর্শনার্থীদের ভেতরে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়ার জন্য ওয়ার্ডের দরজা লক করে রাখত। দুর্ঘটনার সময় সেখানে কার্যকর কোনো জরুরি বের হওয়ার পথও ছিল না।
হিভসা ওয়ালিদ পিআইএমএস হাসপাতালে তার ননদের সাথে কক্ষটির কাছে অবস্থান করছিলেন।
তিনি কয়েকদিন আগে একটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। প্রথমে তিনি চিৎকার শুনে মনে করেছিলেন যে কোনো রোগী মারা গেছে, কিন্তু পরে তিনি ধোঁয়া দেখতে পান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও অভিযোগ করেছেন যে, ফায়ার সার্ভিস এবং উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় নেয়। এই কারণে পুরো এলাকা কালো ধোঁয়ায় আচ্ছাদিত হয়ে যায়।
রোগীরা ভিতরে আটকে পড়েন। সরকারি কর্মকর্তারা দাবি করেছেন যে, উদ্ধারকারী দল দ্রুততম সময়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিল।
প্রাথমিক তদন্তের ফলাফল অনুযায়ী, সকাল ৬:৪৫ মিনিটে গাইনি ওয়ার্ডের নার্সারিতে একটি এয়ার কন্ডিশনারের কম্প্রেসর বিস্ফোরিত হয়ে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এসির আগুন পরে অক্সিজেন লাইনের সংযোগের সংস্পর্শে এসে দ্রুত ও ভয়াবহভাবে পুরো ওয়ার্ডে ছড়িয়ে পড়ে।
ওয়ার্ডে মোট ১৫ নবজাতকের মধ্যে ১৪ শিশুই প্রাণ হারিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন