প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধির খবর অনুসারে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক বরাবর যানজট কমানোর উদ্দেশ্যে এবং মহাসড়কের পাশে সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করার জন্য কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে এক উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ১৩ জুলাই, ২০২৬ তারিখে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহাদাৎ হোসেন নেতৃত্বে বিকেলে চৌদ্দগ্রাম বাজার এলাকায় এ অভিযানটি সম্পন্ন হয়।
উপজেলা প্রশাসন এবং পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই অভিযানে অংশ নেয় চৌদ্দগ্রাম মডেল থানা ও মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার পৃথক দুটি পুলিশ দল। অভিযানের সময় মহাসড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা, কাঁচাবাজার এবং অস্থায়ী দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়। পরে, তাৎক্ষণিকভাবে বর্জ্য অপসারণও করা হয়। উপজেলা প্রশাসন জানায়, দীর্ঘদিন ধরে চৌদ্দগ্রাম বাজার এলাকায় যত্রতত্র বাস থামানো এবং ফুটপাত দখলের কারণে প্রায় প্রতিদিনই তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়ে আসছিল।
এই সমস্যার সমাধানের জন্য, বাজারের দক্ষিণ পাশে ইসলামী ব্যাংকসংলগ্ন এলাকা এবং উত্তর পাশে হায়দার শপিং কমপ্লেক্সসংলগ্ন স্থানে দুটি বাস-বে স্থাপনের একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত এই দুটি স্থানে অস্থায়ী বাস-বে চালু করা হয়েছে এবং শিগগিরই স্থায়ী বাস-বে নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর আগে, ব্যবসায়ীদের অবৈধ স্থাপনা সরাতে কয়েক দিন সময় দেওয়া হয়েছিল এবং মাইকিং ও গণসচেতনতামূলক প্রচারও চালানো হয়েছিল।
নির্ধারিত সময় সম্পন্ন হওয়ার পর বিকালে উচ্ছেদ অভিযানটি পরিচালিত হয়। অভিযানের পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক থাকায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, মহাসড়কের পাশের সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ এবং ফুটপাত দখলের কারণে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছিল।
বারবার সতর্ক করার সত্ত্বেও দখলদাররা তাদের স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, যানজট নিরসন, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং যত্রতত্র যানবাহন পার্কিং বন্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন